শাকিরার ‘দাই দাই’ কেন হারাতে পারেনি ‘ওয়াকা ওয়াকা’ গানকে?

জমকালো আয়োজনে বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রথম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চে প্রথম লাইভ পারফরম্যান্স পরিবেশন করেছেন কলম্বিয়ান পপতারকা শাকিরা। এক ঝাঁক নৃত্যশিল্পীর সঙ্গে গায়িকার সিগনেচার নাচ ও গায়ক বার্না রয়ের সঙ্গে তার পারফরম্যান্স হৃদয় ছুঁয়ে গেছে দর্শকের। তবে এবারের বিশ্বকাপের গান ‘দাই দাই’ হারাতে পারেনি ২০১০ সালে গাওয়া শাকিরার ‘ওয়াকা ওয়াকা’ গানকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমনই দাবি করছেন ভক্তরা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, নেটদুনিয়ায় ‘দাই দাই’ গান প্রকাশের পর সংগীতপ্রেমীদের প্রশংসায় ভাসেন শাকিরা। পাশাপাশি এ গানটির সঙ্গে নেটিজেনরা তুলনা করতে শুরু করেন ২০১০ সালের ফিফা বিশ্বকাপের আইকনিক সঙ্গীত ‘ওয়াকা ওয়াকা’ (দিস টাইম ফর আফ্রিকা) গানের সাথেও। তাদের দাবি, শাকিরার গাওয়া ‘দাই দাই’ গান দুর্দান্ত কিন্তু তা ‘ওয়াকা ওয়াকা’ গানকে পেছনে ফেলতে পারেনি।

এ প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক ভক্ত লেখেন, ‘দাই দাই সুন্দর কিন্তু এটা কখনোই ওয়াকা ওয়াকা গানের মতো নয়। বিশ্বকাপ = ওয়াকা ওয়াকা। এটিই আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বকাপের জাতীয় সঙ্গীত হয়ে গেল।’

আরেকজন লেখেন, ‘দাই দাই দারুণ কিন্তু আমরা সবাই জানি ওয়াকা ওয়াকা শুনলে হৃদস্পন্দন আরও অনেক বেশি বেড়ে যায়, তাই না?’

বিশ্বকাপের থিম সং ‘দাই দাই’র মধ্য দিয়ে দীর্ঘ এক যুগের বিরতি ভেঙে আবারও ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরেছেন শাকিরা। গায়িকার গাওয়া এবারের গানটিও নেটদুনিয়ায় প্রকাশ হওয়া মাত্রই বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তৈরি করে ব্যাপক উত্তেজনা। তবে এ গানের জনপ্রিয়তা হারাতে পারেনি সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে থাকা ‘ওয়াকা ওয়াকা’ গানের অনুভূতিকে।

প্রসঙ্গত, ‘দাই দাই’ গান গাওয়ার মাধ্যমে তৃতীয়বারের মতো ফুটবল বিশ্বকাপের অফিসিয়াল সংগীতে কণ্ঠ দিয়েছেন শাকিরা। সর্বপ্রথম ২০১০ সালে ফুটবল বিশ্বকাপের থিম সং ‘ওয়াকা ওয়াকা’তে কণ্ঠ দেন গায়িকা। গানটি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেলে ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলের থিম সং ‘লা লা লা’ গান দিয়ে দর্শক মাতান তিনি। এরপর ১২ বছরের বিরতি ভেঙে ২০২৬ সালে এবার ফুটবল বিশ্বকাপের থিম সং ‘দাই দাই’ নিয়ে হাজির হন কলম্বিয়ান এ সংগীতশিল্পী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *