বিশ্বকাপের মঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরার পর অনুভূতি জানালেন সঞ্জয় দেব

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চে চোখ ধাঁধানো পারফরম্যান্সে গর্বের সাথে বাংলাদেশকে তুলে ধরে প্রশংসায় ভাসছেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ডিজে ও মিউজিক প্রডিউসার সঞ্জয় দেব। জমকালো ফুটবলের উদ্বোধনীর আসরে বিশ্বের কোটি দর্শকের সামনে অনন্যভাবে বাংলাদেশকে তুলে ধরার পর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন তিনি।

শুক্রবার (১২ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১১টায় কানাডার টরন্টোতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের দ্বিতীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নিজের ‘সির সির’ গানে পারফর্ম করেন সঞ্জয়। অনুষ্ঠানে তিনি পরেছিলেন বিশেষ এক জ্যাকেট। সেই পোশাকেই ফুটিয়ে তোলেন বাংলাদেশের একাধিক জাতীয় প্রতীক।

সঞ্জয়ের জ্যাকেটের ডান হাতার অংশে এমব্রয়ডারিতে দেখা যায় রয়েল বেঙ্গল টাইগার, জাতীয় ফুল শাপলা এবং সবুজ-লাল জাতীয় পতাকার নকশা। শুধু পোশাকেই নয়, পারফরম্যান্স চলাকালে বারবার নিজের স্লিভের দিকে ইঙ্গিত করে প্রতীক দর্শকদের সামনে তুলে ধরেন তিনি।

কানাডা ও বসনিয়া ম্যাচের আগে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী আয়োজনে বলিউড অভিনেত্রী নোরা ফাতেহির নতুন গানের পরিবেশনায় অংশ নেন সঞ্জয়। তাদের সঙ্গে ছিলেন ফরাসি পপ তারকা ভেজিড্রিমও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়েছে সেই পারফরম্যান্সের বিভিন্ন মুহূর্ত। বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের এমন অভিনব উপস্থাপনা দেখে শুধু বাংলাদেশী নয় নেটিজেনদেরও প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন এই শিল্পী।

বিশ্বমঞ্চে দুর্দান্ত পারফরম্যন্সের পর  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের অনুভূতি জানিয়েছেন সঞ্জয়। শনিবার (১৩ জুন) ফেসবুকে বিশ্বকাপ ফুটবলের দ্বিতীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চে নিজের পারফরমান্সের একটি স্বল্প দৈর্ঘ্যের ভিডিও আপলোড করেন তিনি। লেখেন,

আমি এটা বিশ্বাস করতে পারছি না, যেটা এইমাত্র হয়ে গেল। ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপকে ধন্যবাদ এতগুলো স্বপ্ন সত্যি করতে সাহায্য করার জন্য। কি অবিশ্বাস্য মুহূর্ত।

এ পোস্টের ৬ ঘণ্টা পর আরেকটি পোস্ট আপলোড করেন সঞ্জয়। লেখেন,

আমার আপনজনেরা এটা তো সুন্দর কিছুর কেবল শুরু।

প্রসঙ্গত, বিশ্বকাপ ফুটবলের দ্বিতীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চে সঞ্জয় দেব, নোরা ফাতেহি, ভেজিড্রিম ছাড়াও পারফর্ম করেন বিশ্বখ্যাত কানাডিয়ান শিল্পী মাইকেল বুবলে, অ্যালানিস মরিসেট এবং আলেসিয়া কারা। এছাড়া জেসি রেয়েজ, ফিলিস্তিনি গায়িকা এলিয়ানা ও উইলিয়াম প্রিন্সও সঙ্গীত পরিবেশন করেন। শিল্পীদের পরিবেশনায় ফুটে উঠে কানাডার বহুসাংস্কৃতিক পরিচয় ও সংস্কৃতির সমৃদ্ধি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *