প্রত্যাশিত শুরুই পেলো যুক্তরাষ্ট্র। ঘরের মাঠের বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে প্যারাগুয়েকে উড়িয়ে দিয়েছে তারা। তুলে নিয়েছে ৪-১ গোলের বড় জয়।
স্বাগতিকদের জয়ের নায়ক ফোলারিন বালোগুন। নিজেদের করা ৩ গোলের মধ্যে দুটিই তার, একটি আত্মঘাতী।
যুক্তরাষ্ট্র লিড পায় ম্যাচের সাড়ে ৬ মিনিটের মাথায়। দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে ক্রিস্টিয়ান পুলিসিচ যখন ডি-বক্সের ভেতর ম্যাককেনিকে পাস দেন। বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে প্যারাগুয়ের মিডফিল্ডার ড্যামিয়েন বোবাদিলা নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন।
২৮ মিনিটে তারা দ্বিতীয় গোলটি পেয়ে গিয়েছিল। গোলদাতা বালোগুন ও তার সতীর্থদের উদ্যাপনের মাঝেই রেফারির বাঁশি, তাইলার অ্যাডামসের কাছ থেকে পাস পাওয়ার সময় অফসাইডে দাঁড়িয়ে ছিলেন ২৪ বছর বয়সি স্ট্রাইকার। কিন্তু দুই গোলের লিড নিতে স্বাগতিকদের বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি।
তিন মিনিটের ব্যবধানে সেই বালোগুনই দ্বিতীয় গোলটি করেন। ক্রিস্টিয়ান পুলিসিচ বাম প্রান্ত দিয়ে দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে এসে গোলমুখে ঢুকে পড়েন। ডানদিকে থাকা বালোগুনকে বল বাড়িয়ে দেন তিনি। বালোগুন আলতো স্পর্শে বল জালে পাঠান। পরের গোলটিও তার। এবার অ্যাসিস্ট করেন মালিক তিলম্যান।
প্রথমার্ধেই যুক্তরাষ্ট্রের তিন গোল। দ্বিতীয়ার্ধে তারা হয়তো আরও ৩/৪টি গোল করবে! যারা এমন ভেবেছিলেন, তারা প্রত্যেকে ভুল প্রমাণিত। দ্বিতীয়ার্ধের ২৭ মিনিট পর্যন্ত কোনো গোলই হয়নি। ৭৩ মিনিটে যে গোলটি হয়, সেটি প্যারাগুয়ের।
অরল্যান্ডো গিল লম্বা করে পাস দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্ধে। জুলিও এনসিসো নিখুঁত পাসে বল বাড়িয়ে দেন মাউরিসিওর উদ্দেশে। বাঁ প্রান্ত থেকে আড়াআড়ি নেওয়া জোরালো শটে সেটি জালে পাঠিয়ে দেন মাউরিসিও। শেষদিকের এই গোল শুধু ব্যবধানই কমিয়েছে, ম্যাচের ফল আর বদলাতে পারেনি।
চার নম্বর গোলটি যুক্তরাষ্ট্র করে ম্যাচের যোগ করা সময়ে। ফ্রিম্যানের কাছ থেকে বল পেয়ে জিওভানি রেইনা ডি বক্সে ঢুকেই শট নিয়েছিলেন। গিল ঝাপিয়ে পড়লেও তাকে ফাঁকি দিয়ে বল জালে প্রবেশ করে।