রাজধানীতে হোটেলকক্ষ আট মাস ধরে ভাড়া নিয়ে টাকা না পরিশোধ করার অভিযোগ উঠেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শীর্ষ কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, এ বিষয়ে এনসিপির দুই শীর্ষ নেতার কাছে অভিযোগ দিয়েও কোনো বিচার পায়নি হোটেল কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (১ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে রাশেদ খান এসব কথা বলেন।
রাশেদ খান বলেন, নাহিদ ইসলাম ও আখতার হোসেন বরাবর অভিযোগ দিয়েও কোন বিচার পায়নি আবাসিক হোটেল কর্তৃপক্ষ! তাদের কাছে বিভিন্ন অনৈতিক ও অশ্লীল কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ও সিসিটিভি ফুটেজও বিচারের জন্য দেওয়া হয়। কিন্তু হোটেলের বকেয়া ১১৮৩২০০ টাকা পরিশোধ না করে পালিয়ে যায় এনসিপির ২১ জন নেতা।
তিনি জানান, এই চক্রটির নেতৃত্ব দেন এনসিপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব এস এম শাহরিয়ার। তিনি গত কুরবানির ইদে গোলাপবাগ গরু হাট থেকে এনসিপির নেতাকর্মীদের থেকে নেওয়া প্রায় দেড় কোটি টাকা মেরে দেন।

রাশেদ খান বলেন, আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের আগ পর্যন্ত সে ঢাকা-৫ আসনের আওয়ামীলীগের মনু এমপির পিও ছিলো, আর তার বাবা ছিলেন মনু এমপির পিএস! আর গণঅভ্যুত্থানের পরে সে হয়ে গেছে এনসিপির কেন্দ্রীয় ও মহানগরের দায়িত্বশীল নেতা!
বিএনপির এ নেতার অভিযোগ, আওয়ামীলীগের সম্পদ কোথায় আছে, কিভাবে সেগুলো আহরণ করা যায়, সেজন্য এস এস শাহরিয়ারকে সোর্স হিসেবে দলে বড় জায়গা করে দিয়েছে শীর্ষ নেতারা!
পোস্টের কমেন্টে তিনি হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
শেষে রাশেদ খান বলেন, এটাই হলো এনসিপির নতুন বন্দোবস্ত! জুলাই পালন করতে শীর্ষ নেতারা শহীদদের কবরে যাবে, আবার অপরাধীদেরকেও দলে পালবে! অথচ এসব নেতাদের বহিষ্কার করে তারপরে জুলাই শহীদদের কবরে তাদের আত্মা শান্তি পেতো!
এসএন/পিডিকে