‘ড্যাডি ইজ হোম’ বলেছিলেন ইয়াশ, বক্স অফিস বলছে ‘ড্যাডি ইজ গন’?

‘ড্যাডি ইজ হোম’—পর্দায় প্রবেশের আগেই ইয়াশের এই সংলাপ যেন ‘টক্সিক’-এর দাপটের ঘোষণা দিয়েছিল। সিনেমা মুক্তির প্রথম দিনেও বক্স অফিসের হিসাব সেই ঘোষণার সঙ্গে বেশ মানানসই ছিল। কিন্তু পাঁচ দিন যেতে না যেতেই চিত্রটা অনেকটাই বদলে গেছে। প্রথম দিনের ঝড় এখন অনেকটাই স্তিমিত। তাই ব্যঙ্গ করে প্রশ্ন উঠতেই পারে—‘ড্যাডি ইজ হোম’ বলেছিলেন ইয়াশ, এখন বক্স অফিসে ‘ড্যাডি কোথায়?’

২৬ আগস্ট বিশ্বব্যাপী প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় গীতু মোহনদাস পরিচালিত ‘টক্সিক: এ ফেয়ারি টেল ফর গ্রোন-আপস’। প্রথম দিনেই ভারতে ১০১ কোটি ১০ লাখ রুপি নেট আয় করে রীতিমতো ঝড় তোলে সিনেমাটি। ইয়াশের তারকাখ্যাতির সঙ্গে সেই উদ্বোধনী আয়ও তৈরি করে বড় প্রত্যাশা।

কিন্তু দ্বিতীয় দিন থেকেই গল্পে আসে মোড়। দ্বিতীয় দিনে আয় নেমে আসে ৩৭ কোটি ৬৫ লাখ রুপিতে। তৃতীয় দিনে ২৭ কোটি ২০ লাখ এবং চতুর্থ দিনে প্রায় ২৪ কোটি ৫০ লাখ রুপি আয় করে সিনেমাটি। অর্থাৎ প্রথম দিনের তুলনায় পরবর্তী দিনগুলোতে সংগ্রহে দেখা গেছে বড় পতন।

বক্স অফিস ট্র্যাকার স্যাকনিল্কের সর্বশেষ চলমান হিসাবে, ৩০ আগস্ট দুপুর পর্যন্ত পঞ্চম দিনে ভারতে ‘টক্সিক’ আয় করেছে প্রায় ২ কোটি ৭৯ লাখ রুপি। ফলে ভারতীয় নেট আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৯৩ কোটি ৮৯ লাখ রুপিতে। তবে দিনের বাকি সময়ের আয় এখনো যোগ হয়নি।

আন্তর্জাতিক বাজারের হিসাব যোগ করলে চতুর্থ দিন শেষে সিনেমাটির বিশ্বব্যাপী আয় প্রায় ২৫৪ কোটি ৭৫ লাখ রুপি। অর্থাৎ সংখ্যাটা ছোট নয়, কিন্তু সিনেমাটির বিপুল নির্মাণ ব্যয়ের কথা সামনে এলে প্রশ্নও কমছে না।

এ মুহূর্তে তাই ‘টক্সিক’কে ব্যর্থ বলা যেমন তাড়াহুড়ো হবে, তেমনি প্রথম দিনের আয় দেখে বড় সাফল্যের তকমা দেওয়াও কঠিন। কারণ বক্স অফিসে সিনেমাটির সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে—প্রথম দিনের সেই গতি ধরে রাখতে না পারা।

ইয়াশ বলেছিলেন, ‘ড্যাডি ইজ হোম’। প্রথম দিন বক্স অফিসও যেন বলেছিল, ‘হ্যাঁ, ড্যাডি এসেছেন।’ কিন্তু পাঁচ দিনের মাথায় আয় যেভাবে কমছে, তাতে এখন প্রশ্ন—‘ড্যাডি কি বাড়িতে আছেন, নাকি বক্স অফিস থেকে বেরিয়ে গেছেন?’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *