ফিফা থেকে নিষেধাজ্ঞা থাকায় বসুন্ধরা কিংসের এবারের মৌসুমে খেলা হবে কিনা, সেটা নিয়েই ছিল শংশয়। নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে কিংসরা ফিরলেন ঠিক ‘রাজার’ মতো করেই। দলবদলের বাজারে দেখালেন সবচেয়ে বড় চমক। উড়িয়ে আনছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলা ফুটবলার তিয়াগো মানুয়েল দিয়াজ কোরেইয়াকে। যিনি ফুটবল বিশ্বে ‘বেবে’ নামে পরিচিত।
৩৬ বছর বয়সী এই পর্তুগিজ বংশোদ্ভূত কেপ ভার্দের তারকা ২০২৬-২৭ মৌসুমে বসুন্ধরা কিংসের হয়ে মাঠ মাতাবেন। ক্লাবটির একটি বিশ্বস্ত সূত্র এনটিভি অনলাইনকে জানিয়েছে, ইতোমধ্যে বেবের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হয়ে গেছে। খুব দ্রুতই ক্লাবের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। এবারের দলবদলে এটিকে দেশের ফুটবলের সবচেয়ে হাই-প্রোফাইল সাইনিং হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
বেবের জন্ম ও বেড়ে ওঠা পর্তুগালে। দেশটির অনূর্ধ্ব-২১ দলের জার্সিতে মাঠেও নেমেছেন এই উইঙ্গার। খেলেছেন ৬টি ম্যাচ। এরপর অবশ্য আর পর্তুগিজ সিনিয়র দলে ডাক পাননি। তবে রোনালদোর সতীর্থ হতে না পারলেও, সর্বশেষ বিশ্বকাপের আরেক তারকা ভোজিনিহোর সঙ্গে জাতীয় দলে খেলেছেন বেবে। ২০২৩-২৪ মৌসুমের আফ্রিকান কাপ অব নেশনসেও ভোজিনিহোর সতীর্থ ছিলেন তিনি।
তবে বেবের সবচেয়ে বড় পরিচয় ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের জায়ান্ট ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে খেলা। তৎকালীন ইউনাইটেডের কোচ স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন তার খেলা না দেখেই ৭.৪ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে দলে ভেড়ান তাকে। সেসময় এটি ছিল ফুটবল বিশ্বের অন্যতম আলোচিত দলবদল।
স্যারে অ্যালেক্স ফার্গুসনের সেই ড্রিম টিমে অবশ্য খুব বেশি খেলা হয়নি বেবের। ইউনাইটেডর হয়ে ৭টি ম্যাচে মাঠে নেমে করেছিলেন ২টি গোলও। তবে কোচকে খুশি করতে না পারায় ম্যান ইউনাইটেড তাকে লোনে তুরস্ক ও পর্তুগালের বিভিন্ন ক্লাবে ধারে খেলিয়েছে টানা চার মৌসুম।
বেবে সবচেয়ে বেশি সময় খেলেছেন স্প্যানিশ ক্লাব রায়ো ভালেকানোর হয়ে। বর্তমানে স্প্যানিশ প্রিমিয়ার ডিভিশন গ্রুপ-১ লিগের দল ইউনিয়ন দেপোরতিভা ইবিজায় খেলছেন বেবে। এবার পাঁচবারের ফেডারেশন ও ৬বারের লিগ চ্যাম্পিয়নদের শিবিরে আসার অপেক্ষা।