ডারউইনে অস্ট্রেলিয়াকে প্রথম ধাক্কাটা দিয়েছিলেন বাংলাদেশের পেসার হাসান মাহমুদ। টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে এই টাইগার পেসারের তোপের মুখে পড়েন অসি ব্যাটাররা। হাসানের বুদ্ধিদীপ্ত বোলিংয়ে পুরোপুরি একদিনও ব্যাটিং করতে পারেনি স্বাগতিকরা। হাসান ইতিহাসগড়া বোলিংয়ে চোখে সরষে ফুল দেখান অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটারদের।
দ্বিতীয় ইনিংসেও বলহাতে উজ্জ্বল ছিলেন হাসান। বাংলাদেশের পথের কাঁটা হয়ে থেকে সেঞ্চুরি করা ক্যামেরন গ্রিনকে ফিরিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সব প্রতিরোধ ভেঙে দেন হাসান। সবমিলিয়ে ডারউইন টেস্টে তার শিকার ৯ উইকেট। এমন পারফরম্যান্সে ম্যাচ সেরার পুরস্কারও জিতেছেন তিনি।
অস্ট্রেলিয়াকে এমন ধাক্কা দিয়ে ক্রিকেট বিশ্বের প্রশংসা কুঁড়িয়েছেন হাসান। তবে এখানেই থেমে থাকতে চান না তিনি। সম্প্রচারকারী টেলিভিশন চ্যানেল স্টার স্পোর্টসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই টাইগার পেসার জানিয়েছেন, এটি মাত্র শুরু। আরও অনেক কিছু করতে চান তিনি।
হাসান বলেন, ‘এটি মাত্র শুরু, আরও অনেক কিছু করতে হবে। এক টেস্টে ম্যাচসেরা হয়ে খুশি থাকা যাবে না। আমি মাঠ থেকে বের হওয়ার সময় সব ভুলে গেছি। কী করেছি বা হয়েছে, সেগুলো মনে রাখিনি। এখন পরের ম্যাচ নিয়েই চিন্তা করছি।’
অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটারদের কিভাবে পরাস্ত করেছেন, সেই গল্পও জানিয়েছেন হাসান। তিনি বলেন, ‘ব্যাটসম্যানকে পরাস্ত করার দুটি উপায় আছে। প্রথমত, ব্যাটারের মন পড়ে নিজের দক্ষতা দিয়ে তাকে ফাঁদে ফেলা। দ্বিতীয়ত, উইকেটের সঠিক লেংথে বল করে ব্যাটারের ধৈর্যের পরীক্ষা নেয়া। আমি ভিন্ন ভিন্ন পরিস্থিতিতে এই দুটি পথই বেছে নেওয়ার চেষ্টা করি।’
বাংলাদেশের ক্রিকেটের বড় শক্তির জায়গা সমর্থকরা। বিশ্বের যে প্রান্তেই খেলা হোক, বাংলাদিশরা সেখানে গিযে গলা ফাঁটান। সমর্থকদের নিয়ে হাসান বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ ক্রিকেট নিয়ে অনেক আবেগী এবং তারা সবসময় সমর্থন করে। আমরা কীভাবে একজন ক্রিকেটার হিসেবে আরও উন্নতি করতে পারি, তা নিয়েও তারা ভাবে।’