যুক্তিতর্ক শুনানিতে সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্নার উদ্ভট আচরণ, পরে কান্না

রাজধানীর আলোচিত শিশু রামিসা হত্যা মামলায় যুক্তিতর্ক শুনানিতে আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না উদ্ভট আচরণ শুরু করেন। এসময় পুলিশ সদস্যরা তাকে জোড় করে ধরে রাখেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এক নারী পুলিশ কনেস্টেবল থাপ্পর মারার ভয় দেখান। এর পরে স্বপ্না অনবরত কান্না করতে থাকে।

আজ বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে যুক্তিতর্ক শুনানিতে শুরু হয়। এর কিছুক্ষণ আগে মামলার আসামি সোহেল ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্নাকে আদালতে তোলা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, আজ রামিসা হত্যা মামলার রায়ের দিন নির্ধারণ হতে পারে।

এসময় পিপি আসামিদের শুনানিতে আদালতে রাখার দরকার নেই বলে জানান।

এসময় বিচারক বলেন- আসামি দুজনকে বলছি। আপনারা যদি এমন আচরণ করেন আমি আপনাদের এখনই কারাগারে পাঠিয়ে দিবো। আজকে আপনাকের বলার কিছু নেই। যুক্তিতর্ক শুনানি হচ্ছে- আপনাদের পক্ষেও বলবে। এরপরে আদালতে শুনানি পুনরায় শুরু হয়। বেলা সোয়া ১টা পর্যন্ত রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি চলছে।

যুক্তিতর্ক শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের পিপি বলেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিতে প্রতীয়মান হয় তিনি ঘটনার দিনে মাদকাসক্ত ছিলেন না। তিনি সুস্থ মাথায় খুন ও ধর্ষণ করেছেন। সোহেল রানার স্ত্রী চাইলেই অপরাধ ঠেকাতে পারতেন। উনি অপরাধ প্রিভেন্ট করার চেষ্টা করেননি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *