মধ্যপ্রাচ্যে যেকোনো নতুন নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ইরানের গুরুত্ব ও অপরিহার্যতার কথা তুলে ধরেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তিনি জানিয়েছেন, এই অঞ্চলের নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য ‘সম্মিলিত সহযোগিতার’ ভিত্তিতে সব দেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। খবর আল জাজিরার।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি তার বিবৃতিতে বলেন, ইরানকে বাদ দিয়ে বা অবহেলা করে মধ্যপ্রাচ্যে কোনোভাবেই শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা সম্ভব নয়।
আরাঘচি আরও উল্লেখ করেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এখন একটি বাস্তব সত্য বুঝতে পারছে। আর তা হলো—এই অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি, অর্থনৈতিক উন্নতি এবং স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে হলে ইরানসহ সব দেশের স্বার্থকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে। এটি কেবল পারস্পরিক সহযোগিতা ও সঠিক বোঝাপড়ার মাধ্যমেই অর্জন করা সম্ভব।
এদিকে শান্তি চুক্তি নিয়ে ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রস্তাবিত ফ্রেমওয়ার্ক বা রূপরেখা চুক্তির বিষয়ে তেহরান এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে জানিয়েছে ইরানি গণমাধ্যম। তবে চুক্তিটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে ও দুই পক্ষের মধ্যকার জটিলতা দূর করতে সহায়তার উদ্দেশ্যে কাতারের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল জরুরি ভিত্তিতে ইরানে পৌঁছেছে।
শান্তি চুক্তি নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হওয়ার পরপরই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ আন্তর্জাতিক যাতায়াতের জন্য পুরোপুরি উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। সেইসঙ্গে তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই চুক্তির চূড়ান্ত অংশ হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত ইরানের পারমাণবিক উপাদানগুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে পাবে।