নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে একের পর এক মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে সেলিনা হায়াৎ আইভীকে নতুন মামলায় হয়রানি বা গ্রেপ্তার না করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার (২৬ এপ্রিল) বিচারপতি রাজিক আল জলিলের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে আইভীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার সারা হোসেন, অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু।
পরে অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু বলেন, সেলিনা হায়াৎ আইভী হাইকোর্ট থেকে ১০ মামলায় জামিন পেয়েছেন। আবার নতুন দুই মামলায় তাকে শ্যোন দেখানো হয়েছে। শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়।
২০২৪ সালে ২০ জুলাই সন্ধ্যায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে আদমজী এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন পোশাকশ্রমিক মিনারুল ইসলাম। শহরের খানপুরে অবস্থিত ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট নারায়ণগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরদিন গ্রামের বাড়িতে তাঁকে দাফন করা হয়।
এ ঘটনায় ২৩ সেপ্টেম্বর নিহত মিনারুলের ভাই নাজমুল হক বাদী হয়ে শেখ হাসিনাসহ ১৩২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৩০০ জনকে আসামি করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় এজাহারভুক্ত ১২ নম্বর আসামি সেলিনা হায়াৎ আইভী। পরে তার বিরুদ্ধে আরও মামলা করা হয়।