অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশের ম্যাচে লড়াকু সংগ্রহ বাংলাদেশের

আগের দুই ম্যাচের তুলনায় এদিন ব্যাটিংয়ের শুরুটা মলিন ছিল বাংলাদেশের। ৬১ রানে তিন উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে যাওয়ার ভয় থাকলেও, সেখান থেকে বের হয়ে আসে বাংলাদেশ। যাতে সবচেয়ে বড় অবদান তাওহিদ হৃদয়ের। প্রথমে লিটন দাস, পরে মোসাদ্দেক হোসেনকে নিয়ে দুটি বড় জুটিতে স্বাগতিকদের লড়াকু সংগ্রহ এনে দেওয়ার পথ তৈরি করেন হৃদয়। 

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে আজ রোববার (১৪ জুন) তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৭৪ রান করে স্বাগতিকরা।

ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ইনিংসের চতুর্থ বলেই উইকেট বিলিয়ে দেন সৌম্য সরকার। ৪ বলে ২ রান করে হাভিয়ের বার্টলেটের বলে বোল্ড হন তিনি।

দ্বিতীয় উইকেটে নাজমুল হোসেন শান্ত ও তানজিদ তামিম মিলে ৫১ রানের জুটি গড়েন। ৫০ বলে ২৪ রান করে ম্যাট রেনশোর বলে বোল্ড হন শান্ত। তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে সাজঘরে ফেরেন তামিম, রেনশোকে উইকেট বিলিয়ে দেন তিনি। ২০ বলে ১৯ রান আসে তামিমের ব্যাট থেকে।

এরপর হাল ধরেন হৃদয় ও লিটন। চতুর্থ উইকেট জুটিতে ৯২ রান আসার পর পায়ে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন লিটন। তিনি তখন ৪৮ রানে অপরাজিত। ক্রিজে আসেন মোসাদ্দেক হোসেন। হৃদয়-মোসাদ্দেক জুটিতে আসে ৯৩ রান। 

সেঞ্চুরির আশা জাগিয়ে বেন দারউইশের বলে অ্যালেক্স ক্যারিকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন হৃদয়। ৮৮ বলে ৮ চারে ৮৩ রানে সাজান নিজের ইনিংস।

হৃদয় ফিরলে ফের নামেন শেখ মেহেদী। মাত্র ৩ রানে ফেরেন তিনি। পরবর্তীতে লিটন এসে তুলে নেন ফিফটি। ১১ বছরের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে মিরপুরে প্রথমবার ফিফটির দেখা পান লিটন। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৭৮ বলে ৫৮ রানে। চরটি চার ও দুটি ছক্কায় সাজান নিজের ইনিংস। ৫১ বলে ৫টি চার ও একটি ছক্কায় ৫৬ রানে অপরাজিত থাকেন মোসাদ্দেক। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *