জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়কার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং তৎকালীন সড়ক পরিবহণমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির পক্ষে-বিপক্ষে শুনানি শেষে রায়ের জন্য অপেক্ষমান রেখেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। এ মামলায় উভয় পক্ষে শুনানি শেষে আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) শুনানি শেষে রায় অপেক্ষমাণ রাখেন আদালত।
এ মামলায় রাষ্ট্রনিযুক্ত পলাতক আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন এম হাসান ইমাম ও ইশরাত জাহান। প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এম এইচ তামিম।
এর আগে, ১২ আগস্ট সাত আসামিরই সর্বোচ্চ সাজা চেয়ে যুক্তিতর্ক শেষ করে প্রসিকিউশন। এ মামলায় সব আসামির অপরাধ গুরুতর বলে ব্যাখ্যা দিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
এতে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছে প্রসিকিউশন। একই সঙ্গে তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আদেশও চাওয়া হয়েছে।
ওবায়দুল কাদেরসহ মামলার অপর আসামিরা হলেন-কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। শুরু থেকে আসামিরা পলাতক রয়েছেন। গত ২ আগস্ট এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শেষ হয়। তদন্ত কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রপক্ষে সাক্ষ্য দেন মোট ২৯ জন সাক্ষী।
চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দেওয়া ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন একই আদালত।