ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ইরানের রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ান। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এটিকে একটি ‘ঐতিহাসিক দলিল’ এবং ‘জাতীয় দৃঢ়তা ও দায়িত্বশীল কূটনীতির ফসল’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন তিনি। খবর আল জাজিরা ও আনাদুলু এজেন্সির।
মার্কিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ স্বাক্ষরিত চুক্তির ছবিসহ দুটি পৃথক পোস্টে পেজেশকিয়ান বলেন, এই দলিলটি এমন এক জাতির কণ্ঠস্বরকে প্রতিফলিত করে, যারা কোনো হুমকি বা চাপের কাছে নিজেদের মর্যাদা ও স্বাধীনতা বিসর্জন দেয়নি। আজ যা লিপিবদ্ধ হয়েছে, তা জাতীয় অধ্যবসায় ও রাজনৈতিক বিচক্ষণতার ফল।
দ্বিতীয় একটি বার্তায় ইরানের রাষ্ট্রপতি এই সমঝোতা স্মারকটিকে শক্তিশালী ইরানের পক্ষ থেকে একটি বার্তা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘পারস্পরিক শ্রদ্ধার ছায়ায় শান্তি অর্জিত হবে।’ তিনি আরও জানান, ইরান তার মর্যাদা, স্বাধীনতা, অগ্রগতি ও আঞ্চলিক সহযোগিতা বজায় রেখে বিশ্বশান্তির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।
কয়েকমাসের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণ বিষয়ে আলোচনা শুরুর লক্ষ্যে তেহরান ও ওয়াশিংটনের এই সমঝোতা স্মারকটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরের ঘোষণার একদিন পর তাঁর এই মন্তব্য এলো।
এই ঐতিহাসিক চুক্তিতে আঞ্চলিক পর্যায়ে সামরিক অভিযান বন্ধ করা, ইরানের তেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা, জব্দকৃত ইরানি সম্পদ মুক্ত করা এবং হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিধানগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।