ভাইরাল ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পকে’ দিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে কটাক্ষ ইরানের

ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভাইরাল হওয়া নারায়ণগঞ্জের মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পকে’ দিয়ে এবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে কটাক্ষ করেছে রাশিয়ায় অবস্থিত ইরানের দূতাবাস। তারা বাংলাদেশি অ্যালবিনো মহিষটির ভাইরাল ভিডিও শেয়ার করে ট্রাম্পকে উপহাস করে বলেছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে তুলনা করায় প্রাণীটি তার ক্ষুধা হারিয়ে ফেলেছে। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

এক্সে ইরানের দূতাবাসটির এক পোস্টের ক্যাপশনে বলা হয়, বেচারা! ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তুলনা করায় বাংলাদেশি মহিষটি হতাশ।

পোস্টটিতে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আরটির একটি প্রতিবেদনও শেয়ার করা হয়েছে। এতে বলা হয়, ট্রাম্পের মতো দেখতে বাংলাদেশি এক মহিষকে দেখতে লোকজন ভিড় করায় পশুটি তার ক্ষুধা হারিয়ে ফেলেছে।

‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামের ভাইরাল মহিষটি বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি খামারের। এটি এবারের ঈদুল আজহায় সবার মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।

৭০০ কেজি ওজনের অ্যালবিনো মহিষটি সোনালি রঙের চুল ও মুখের গড়নের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এসেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা বলছেন, মহিষটি মার্কিন প্রেসিডেন্টের মতো দেখতে।

খামারে মহিষটি দেখতে যাওয়া এক দর্শনার্থী বাংলাদেশের এক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, যখন আমি ফেসবুকে মহিষটির ছবিগুলো দেছি, তখন তাকে দেখতে হুবহু ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো লাগছিল। তার মুখের গড়ন, এমনকি চুলের স্টাইলও ট্রাম্পের সঙ্গে মিলে যায়।

বাংলাদেশে ঈদুল আজহা উদযাপনের সময় মহিষটি কোরবানি করা হবে।

আরেকজন দর্শনার্থী ঠাট্টা করে বলেন, মহিষটির শান্ত স্বভাব মার্কিন প্রেসিডেন্টের মতো নয়। তিনি বলেন, মহিষ স্বভাবগতভাবে খুবই শান্ত ও ভদ্র, যা ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে একেবারেই মেলে না।

নারায়ণগঞ্জের ওই খামারের মালিক জিয়াউদ্দিন মৃধা বলেন, অনলাইনে ভাইরাল হওয়ার পর থেকে মহিষটির সঙ্গে ছবি তোলার জন্য প্রতিদিন বহু মানুষ খামারে ভিড় করছে।

জিয়াউদ্দিন মৃধা আরও বলেন, আমার ছোট ভাই মহিষটির মাথার চুল দেখে মজা করে নাম রেখেছিল ডোনাল্ড ট্রাম্প। এটি স্বভাবগতভাবে খুব শান্ত। অ্যালবিনো মহিষগুলো সাধারণত নিরীহ প্রকৃতির হয় এবং উসকানি না দিলে আক্রমণ করে না।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সামরিক ও কৌশলগত অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে হামলা শুরু করেছে। এরপর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে এবং বিশ্বের জ্বালানি ব্যবস্থায় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি বনশ করে দিয়েছে। এতে বিভিন্ন দেশে জ্বালানি সংকট তীব্র হয়েছে এবং মুদ্রাস্ফীতি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *