মধ্যাহ্ন বিরতির মাঝেই দ্রুত উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। বিরতির পর নাজমুল হোসেন শান্ত আর অমিত হাসান ফেরায় সেই চাপ আরও বাড়ে। সেখান থেকে সৌম্য সরকারের সঙ্গে জুটি বেঁধে প্রতিরোধ গড়েন মেহেদী হাসান মিরাজ। এরপর ফিরেছেন আরও দুজন। কিন্তু একপ্রান্ত আগলে রেখে হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন মিরাজ।
আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) মারারা ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ৬৩ ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৮৮ রান করেছে বাংলাদেশ। ৯৩ বলে ৫৪ রানে অপরাজিত আছেন মেহেদী হাসান মিরাজ আর হাসান মাহমুদ ৫ বল খেলে কোনো রান করতে পারেননি এখনো।
ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে সৌম্য সরকারের সঙ্গে জুটি বেঁধে বাংলাদেশকে আশার আলো দেখাচ্ছিলেন মিরাজ। দুজন মিলে গড়েছিলেন ৪৮ রানের জুটি। ৫৫তম ওভারে সৌম্য ফিরলে ভাঙে সেই জুটি। ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৩৬ বলে রান।
এরপর তাইজুল ইসলামকে নিয়ে জুটি গড়েন মিরাজ। কিন্তু এই জুটিও লম্বা হয়নি। ৩০ রান তুলতেই ফিরে যান তাইজুল। ১৫ বলে ১০ রান করেন তিনি। এর মাঝে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন মিরাজ। বাংলাদেশের আশার বাতি হয়ে এখনো টিকে আছেন তিনি।
ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ
২১ বছর পর টেস্ট সিরিজ খেলতে অস্ট্রেলিয়া গেছে বাংলাদেশ। মূল সিরিজে নামার আগে নিজেদের ঝালিয়ে নিতে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলছে নাজমুল হোসেন শান্ত-মুশফিকুর রহিমরা। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচে প্রথম দিনের প্রথম সেশন শেষেই ৬ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ।
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে দিনের শুরুতেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। দলীয় ৭ রানের মাথায় ফিরে যান ওপেনার তানজীদ হাসান তামিম। রানের খাতাই খুলতে পারেননি তিনি। আরেক ওপেনার সাদমান ইসলাম ভালো শুরু পেলেও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি। একপ্রান্ত আগলে রেখে খেলা চালিয়ে গেলেও থেমেছেন ৪৭ বলে ৩১ রানে।
মিডল অর্ডারে তিন অভিজ্ঞ ব্যাটার মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও দায়িত্ব নিতে পারেননি। ধরিগতির ব্যাটিংয়ে ৫৯ বলে ১৬ রান করে বিদায় নেন মুমিনুল। মুশফিক তো ৮ বল খেলে রানের খাতাই খুলতে পারেননি।
দল যখন ঘোর বিপদে তখন তরুণ অমিত হাসানকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন শান্ত। দুজন মিলে কাটিয়ে দিয়েছিলেন প্রথম সেশনের বাকি অংশ। কিন্তু মধ্যাহ্ন বিরতি থেকে ফিরতেই ভাঙে সেই প্রতিরোধ। ৫৩ বলে ৩৭ রানে ফেরেন শান্ত।
এরপর অমিত হাসানও বেশি সময় টিকতে পারেননি। ৬১ বলে ১৫ রান করে আউট হন তরুণ এই ব্যাটার।