ক’দিন পরপরই কোচিং বদলানো, অধিনায়ক বদলানো, দলে পরিবর্তন আনা যেন পাকিস্তান ক্রিকেটে যেন খুবই সাধারণ বিষয় হয়েছে দাঁড়িয়েছে। সেই পথে আবারো হেঁটেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে মাঝপথেই বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে তারা। পরিবর্তন এনেছে টেস্টে সংস্করণের প্রধান কোচের পদেও।
সবমিলিয়ে আবারো অস্থিরতা তৈরি হয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেটে। এমন অবস্থায় প্রধান নির্বাচকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মিসবাহ-উল-হক। একই সঙ্গে লাহোরের ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমির ব্যাটিং পরামর্শকের পদ থেকেও সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। তবে ক্রিকেট ভিত্তিক ওয়েবসাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফোর প্রতিবেদনে জানিয়েছে, পিসিবি এখনো তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেনি।
ইংল্যান্ডে চলমান সিরিজে প্রথম দুই ম্যাচেই বাজেভাবে হেরেছে পাকিস্তান। এক ম্যাচেও প্রতিরোধ গড়তে পারেনি তারা। ইতোমধ্যে সিরিজে পিছিয়ে পড়েছে ২-০ ব্যবধানে। যে কারণে তৃতীয় টেস্টের আগে দলে বড় পরিবর্তন এনেছে পিসিবি।
তৃতীয় টেস্টের আগে স্কোয়াড থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে সাত জনকে। এমনকি বাদ পড়েছেন প্রথম টেস্টে অধিনায়কত্ব করা সালমান আলি আঘাও। বাদ দেওয়া মোহাম্মদ রিজওয়ান, ইমাম-উল-হক, সালমান আঘা, আলী উসমান, আমের জামাল, আওয়াইস জাফর এবং খুররম শাহজাদকে।
তাদের পরিবর্তে দলে ডাকা সাতজনের মধ্যে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছে মাত্র দুইজন ক্রিকেটারের– সাইম আইয়ুব ও আবদুল্লাহ ফজাল। অনভিষিক্ত পাঁচ ক্রিকেটার হলেন- আরাফাত মিনহাস, মোহাম্মদ ইমরান জুনিয়র, সাদ বেগ, মোহাম্মদ ইমরান রান্ধাওয়া এবং রেজাউল্লাহ।
প্রথম দুই ম্যাচের বাজে পারফরম্যান্সের কারণে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ এবং বোলিং কোচ উমর গুলকে। তাদের স্থানে সাদা বলের ক্রিকেটের কোচ মাইক হেসন এবং অ্যাশলে নোফকেকে আপাতত টেস্ট দলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এর আগে চলতি বছরের মার্চ মাসেই আকিব জাভেদ, সরফরাজ আহমেদ এবং আসাদ শফিকের পাশাপাশি চার সদস্যের নির্বাচক কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল মিসবাহকে। তবে আকস্মিক এই বড় ধরনের পরিবর্তনের পরই দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।