জয়ের কাছে গিয়েও হারল বাংলাদেশ

শেষ দুই ওভারে ৩৪ রান প্রয়োজন ছিল। নাথান এলিসের করা ১৯তম ওভার থেকে বাংলাদেশ ১১ রান তোলে। ৬ বলে সমীকরণ দাঁড়ায় ২৩ রানে। অ্যারন হার্ডির ওভারে দুই বাউন্ডারিতে হৃদয়-সাকলাইন মিলে ১৫ রান তুললেও হার এড়ানো যায়নি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৭ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। এক ম্যাচ আগেই সিরিজ হারও নিশ্চিত হয়েছে স্বাগতিকদের।

আজ শুক্রবার (১৯ জুন) চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিং নেয় অস্ট্রেলিয়া। ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৯৬ রান করে সফরকারীরা। জবাবে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮৯ রানে থামে বাংলাদেশ।

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা দারুণ করে বাংলাদেশ। দুই প্রান্ত থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন দুই ওপেনার তানজিদ তামিম ও সাইফ হাসান। দারুণ শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেননি তামিম। ম্যাট রেনশোকে ফিরতি ক্যাচ দেওয়ার আগে ১৫ বলে ৩০ রান করেন এই ওপেনার। তার বিদায়ে ভাঙে ৪৮ রানের উদ্বোধনী জুটি।

তিনে নেমে দ্রুতই ফেরেন সৌম্য সরকার। এই টপ অর্ডার ব্যাটার ৯ বলে করেন ১৫ রান। তবে পারভেজ হোসেন ইমনকে সঙ্গে নিয়ে আবারো দারুণ জুটি গড়েন সাইফ। ২২ বলে ৩৬ রান করে ইমন ফিরলে পথ হারায় বাংলাদেশ। পরের ওভারেই ফেরেন ৪২ রান করা সাইফও।

লোয়ার মিডল অর্ডারে পুরোপুরি ব্যর্থ শামিম হোসাইন-আব্দুক গাফফার সাকলাইনরা। তাতে আর সমীকরণ মেলাতে পারেনি বাংলাদেশ। শেষদিকে তাওহিদ হৃদয় চেষ্টা করেছেন। তবে কাজ হয়নি।

এর আগে ব্যাটিংয়ে শুরু থেকেই আগ্রাসী ছিল অস্ট্রেলিয়া। ২.৪ ওভারের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৩০ রান। ৬ বলে ১১ রান করা জস ইংলিশকে লেগবিফোর করে বাংলাদেশকে ব্রেক থ্রু এনে দেন নাসুম আহমেদ। এরপর শিকারে আসেন নাহিদ রানা। তিনি ফেরান কুপার কনোলিকে (১)। মুস্তাফিজুর রহমানের শিকার হওয়ার আগে অসি অধিনায়ক মিচেল মার্শ করেন ১৯ বলে ২০ রান।

৪৪ রানে ৩ উইকেট হারানো অস্ট্রেলিয়ার হাল ধরেন ম্যাট রেনশো ও টিম ডেভিড। চতুর্থ উইকেট জুটিতে আসে ৯৭ রান। ২৬ বলে ৪৫ রান করা ডেভিড আউট হন সাকলায়েনের বলে। তবে, একপ্রান্ত আগলে রাখেন রেনশো। ৫২ বলে ৪টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৮৯ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। তাতে অসিরা পায় বড় পুঁজি।

বাংলাদেশের পক্ষে নাসুম দুটি এবং মুস্তাফিজ, নাহিদ ও সাকলায়েন পান একটি করে উইকেট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *