নওগাঁ জেলা পুলিশের সদ্য স্থাপিত আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) সংযুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরার সহায়তায় আলোচিত স্বর্ণ ছিনতাই মামলার রহস্য উদ্ঘাটিত হয়েছে। প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত ও আন্তঃজেলা যৌথ অভিযানের মাধ্যমে যশোর থেকে চক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তারসহ ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস জব্দ করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
ঘটনার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ৩০ জুলাই রাতে শহরের তাজের মোড়ে স্বর্ণ ব্যবসায়ী সুভাষ পাল ঢাকা থেকে বাসে ফেরেন। তাকে অনুসরণ করে আসা একটি সংঘবদ্ধ চক্র বাস থেকে নামার পর তাজের মোড়ে তার হাত থেকে প্রায় ১৪ ভরি স্বর্ণ ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার পরপরই পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নির্দেশে শহরের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশমুখে তল্লাশি জোরদার করা হয় এবং মামলা দায়েরের পর তদন্ত শুরু করে ডিবি পুলিশ।
পরবর্তীকালে এআই-সংযুক্ত সিসিটিভি ফুটেজ, ডিজিটাল ডেটা এবং টোল প্লাজার তথ্য বিশ্লেষণ করে অপরাধীদের ব্যবহৃত কালো রঙের মাইক্রোবাস ও তাদের যাতায়াতের রুট শনাক্ত করা হয়। গত ৩ আগস্ট যশোর জেলা পুলিশের সহযোগিতায় কোতোয়ালি এলাকা থেকে চক্রের অন্যতম সদস্য ও মাইক্রোবাসচালক মো. জামাল হোসেন ফুলনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার জামাল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে বলেন, চার সদস্যের চক্রটি কল্যাণপুর থেকে বাসে থাকা স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে পিছু ধাওয়া করে নওগাঁয় এসে ছিনতাই সম্পন্ন করে।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া জামাল হোসেন ফুলন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং ছিনতাই হওয়া স্বর্ণ উদ্ধারে জেলা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।