হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ওপর ট্রাম্পের অবরোধ পুনর্বহাল

তেহরান গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি বন্ধ করে দেওয়ার দাবি করার পর, সোমবার ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর নৌ-অবরোধ পুনর্বহাল করছে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী সমস্ত পণ্যবাহী জাহাজের ওপর ২০ শতাংশ মাশুল বা অর্থ আদায় করবে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সৃষ্ট উত্তেজনা জুন মাসে স্বাক্ষরিত একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তিকে নস্যাৎ করে দেওয়ার হুমকির মুখে পড়ার মধ্যেই এই পদক্ষেপটি নেওয়া হলো বলে জানিয়েছে খালিজ টাইমস।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, রোববার থেকে ইরান আঞ্চলিক কয়েকটি দেশের ওপর হামলা চালিয়েছে; তেহরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের বারবার ‘আগ্রাসন’-এর জবাবেই এই হামলা চালানো হয়েছে। গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি এবং ১২ জুন সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের পর থেকে এই সংঘাতের ক্ষেত্রে এটিই সবচেয়ে বড় ধরনের উত্তেজনা বৃদ্ধির ঘটনা।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে চলমান বিরোধের মধ্যেই এই উত্তেজনা বৃদ্ধি পেল। ইরান চুক্তি লঙ্ঘনকারী হিসেবে চিহ্নিত জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা অব্যাহত রেখেছে এবং এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্র পাল্টা হামলা চালাচ্ছে।

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে মুখোমুখি অবস্থানে গেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। টানা কয়েকদিনের পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যেই সোমবার (১৩ জুলাই) দুই দেশই এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে থাকার দাবি করেছে। এতে যুদ্ধের অবসানে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাও আরও চাপে পড়েছে।

সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বলছে, রোববার (১২ জুলাই) ওমান উপকূলের কাছে হরমুজ প্রণালিতে একটি কনটেইনার জাহাজে ইরানের হামলা এবং পরে ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। আর এই সংঘাত আবারও হরমুজ প্রণালিকে বিরোধের কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে।

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে মুখোমুখি অবস্থানে গেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। টানা কয়েকদিনের পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যেই সোমবার (১৩ জুলাই) দুই দেশই এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে থাকার দাবি করেছে। এতে যুদ্ধের অবসানে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাও আরও চাপে পড়েছে।

সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বলছে, রোববার (১২ জুলাই) ওমান উপকূলের কাছে হরমুজ প্রণালিতে একটি কনটেইনার জাহাজে ইরানের হামলা এবং পরে ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। আর এই সংঘাত আবারও হরমুজ প্রণালিকে বিরোধের কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, সোমবার তারা ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের সরঞ্জাম এবং ছোট নৌযানসহ কয়েক ডজন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

সেন্টকম বলেছে, হরমুজ প্রণালি বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নৌপথ। এর নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে নেই।

তবে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। আইআরজিসি বলেছে, ‘হরমুজ প্রণালি আমাদের ভূখণ্ডের অংশ। পৃথিবীর অন্য প্রান্ত থেকে আসা উচ্ছৃঙ্খল ও শিশুহত্যাকারী সেনাবাহিনীকে এখানে অবৈধ হস্তক্ষেপ চালিয়ে যেতে দেয়া হবে না।’

এসএন/পিডিকে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *