যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সম্ভাব্য পদত্যাগের খবরের মধ্যে তার প্রতি শুভকামনা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে শুভকামনা জানানোর পাশাপাশি অভিবাসন ও জ্বালানি নীতি নিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর তীব্র সমালোচনা করতেও ছাড়েননি তিনি। খবর এএফপির।
আজ রোববার (২১ জুন) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, কিয়ার স্টারমার যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন। আমি তার মঙ্গল কামনা করি।
তবে এই পদত্যাগের বিষয়ে তার কাছে কোনো গোপন বা অভ্যন্তরীণ তথ্য রয়েছে কি না, সে বিষয়ে পোস্টে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্পের এই পোস্টটি এমন এক সময়ে এলো, যখন ব্রিটিশ গণমাধ্যমগুলো জোর গুঞ্জন ছড়াচ্ছে, লেবার পার্টির এই শীর্ষ নেতা আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই পদত্যাগ করতে পারেন।
উল্লেখ্য, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার সদ্য সমাপ্ত যুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েল জোটকে সমর্থন না করায় স্টারমারের ওপর আগে থেকেই ক্ষুব্ধ ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওই পোস্টে তিনি সেই ক্ষোভের পুনরাবৃত্তি করে দুটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর ব্যর্থতার কথা তুলে ধরেন- সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ এবং খনিজ জ্বালানি নীতি।
ট্রাম্প তার পোস্টে কঠোর ভাষায় লেখেন, দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তিনি (স্টারমার) মারাত্মকভাবে ব্যর্থ হয়েছেন— অভিবাসন ও জ্বালানি (উত্তর সাগরের তেল ক্ষেত্রগুলো উন্মুক্ত করা উচিত ছিল!)। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই প্রকাশ্য সমালোচনা ও আগাম মন্তব্য যুক্তরাজ্যের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে স্টারমারের ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।