সালিশ চলাকালে প্রতিপক্ষের হামলায় শ্রমিক দলের নেতা নিহত

নিহত জাহাঙ্গীর ওই এলাকার মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে। তিনি ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সহসভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন।

স্থানীয় লোকজন ও নিহত জাহাঙ্গীর আলমের পরিবার জানায়, তার ভাতিজির সঙ্গে প্রায় পাঁচ বছর আগে একই এলাকার সাচ্চু মিয়ার ছেলে মো. আতাউল্লাহর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ লেগে থাকত। গতকাল বিকেলে ভাতিজির দাম্পত্য কলহের বিষয় নিয়ে এলাকায় সালিশ বৈঠক বসে। বৈঠকে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আতাউল্লার লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মেয়ের বাড়ির পক্ষের লোকজনে ওপর হামলা চালায়। এ সময় প্রতিপক্ষের হামলায় জাহাঙ্গীরসহ পাঁচ-ছয়জন আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। এ সময় হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলমকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. রকিব উর রেজা বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহত জাহাঙ্গীর আলমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *