যৌতুক মামলায় আইনজীবী ও আসামিকে বাদী পক্ষের মারধর

যৌতুক নিরোধ আইনের মামলায় অভিযোগ গঠনের পর ঢাকার সিএমএম আদালতের সামনে মামলার আসামি আবির ইবনে হারুন ও আইনজীবী মেহেদী হাসানকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) এ মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। এসময় বাদী ও আসামি পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রট মো. মোস্তাফিজুর রহমান আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

অভিযোগ গঠনের পর আসামিকে নিয়ে তার আইনজীবী আদালত থেকে বের হয়ে যাবার সময় বাদীনির বাবা হুমায়ুন কবির ও বাদীনির মামা মো. আশরাফুল আলম খানের নের্তৃত্বে ২০ বা ২৫ জন বহিরাগত সন্ত্রাসী তাদের ওপর অতর্কিত হামলা করে বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শী হারুন অর রশিদ।

হারুন অর রশিদ বলেন, আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা বহিরাগতরা আসামি ও তার আইনজীবীকে বেধরক ভাবে মারধর করেন এবং আইনজীবীর পোষাক ছিড়ে ফেলেন। তাদের ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন এবং আইনজীবীরা এগিয়ে এলে বহিরাগত কিছু লোক পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। আর কয়েকজনকে আটক করেন আইনজীবীরা। এরপর তাদের আইনজীবী সমিতিতে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর মুচলেখা দেওয়ার পর তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এদিকে আহত আইনজীবী ও আসামিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী আইনজীবী মেহেদী হাসান বলেন, আমাকে অযথা মেরেছে। বাদীপক্ষের সঙ্গে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সম্পর্ক আছে। তাই মারধরের পরও আমি কোনো আইনি পদক্ষেপ নিতে পারিনি। আমি দ্রুত আইনজীবী সুরক্ষা আইন চাই।

যৌতুক মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, বাদীনির কাছে এক কোটি টাকা যৌতুক দাবি করেন আসামি। যৌতুকের টাকা না দিলে বাদীনিকে বাসায় নেবে না বলে জানায় আসামি। এ অভিযোগে গত ৫ এপ্রিল আসামির বিরুদ্ধে মামলা করে বাদী।

এ বিষয়ে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম খান বলেন, আইনজীবীর বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে সমাধান হয়ে গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *