পরিসংখ্যানে কারা এগিয়ে, আর্জেন্টিনা নাকি অস্ট্রিয়া?

নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও অস্ট্রিয়া। কাগজে-কলমে এটি হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ হলেও, মুখোমুখি লড়াইয়ের ইতিহাসে খুব বেশি রেষারেষি নেই দল দুটির মধ্যে। এর আগে তাদের দেখা হয়েছে মূলত প্রীতি ম্যাচগুলোতে। ৩৬ বছর আগে সর্বশেষ দেখায় ড্র হয়েছিল এই দুই দলের লড়াই।

ভিয়েনায় ১৯৯০ সালের ৩ মে অনুষ্ঠিত সেই প্রীতি ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছিল। সেবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হিসেবে মাঠে নেমেছিল ডিয়েগো ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনা। ম্যাচের মাত্র ৩ মিনিটের মাথায় মানফ্রেড জাকের গোলে পিছিয়ে পড়ে আর্জেন্টিনা। পরে আধঘণ্টা পার হতেই হোর্হে বুরুচাগার গোলে সমতা ফেরায় আলবিসেলেস্তেরা।

এর আগে ১৯৮০ সালেও একবার অস্ট্রিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল বিশ্ব জয়ী আর্জেন্টিনা। ভিয়েনার সেই ম্যাচে ৬৫ হাজার দর্শকের সামনে এক অনন্য ঘটনার সাক্ষী হয়েছিল ফুটবল বিশ্ব।

সেই ম্যাচে ডিয়েগো ম্যারাডোনা করেছিলেন তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম এবং একমাত্র হ্যাটট্রিক। সেদিন সান্তিয়াগো সান্তামারিয়া ও লিওপোলদো লুকুয়ের পর ম্যারাডোনা গোল করে আর্জেন্টিনাকে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। বিরতির পর আরও দুই গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন ম্যারাডোনা। ম্যাচটি ৫-১ গোলে জিতেছিল আর্জেন্টিনা।

মজার ব্যাপার হলো, সেই ম্যাচের পর ম্যারাডোনা ক্যারিয়ারে অনেকবার জোড়া গোল করলেও আর কখনোই আন্তর্জাতিক ম্যাচে হ্যাটট্রিকের দেখা পাননি।

ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, দুটি প্রীতি ম্যাচে আর্জেন্টিনা মোট ৬ গোল দিয়েছে এবং খেয়েছে মাত্র দুটি। এছাড়া ১৯৬৬ সালের ২৫ জুন একটি আনঅফিসিয়াল ম্যাচে অস্ট্রিয়া ১-০ গোলে হারিয়েছিল আর্জেন্টিনাকে।

পরিসংখ্যান বলছে, ঐতিহাসিকভাবে এই দ্বৈরথে আর্জেন্টিনা এগিয়ে থাকলেও বিশ্বকাপে এই প্রথমবার মুখোমুখি হচ্ছে দল দুটি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *