দেশব্যাপী নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য নৈরাজ্য ও অপতৎপরতার প্রতিবাদে রাজধানী ঢাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেছে গণঅধিকার পরিষদ। সোমবার (২২ জুন) রাত ৮টায় পল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে পল্টন মোড় ও জাতীয় প্রেস ক্লাব এলাকা প্রদক্ষিণ করে আবার কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে মঙ্গলবার ( ২৩ জুন) আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা রুখতে দেশের সব জেলায় শান্তিপূর্ণ ‘অবস্থান কর্মসূচি’ ঘোষণা করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন।
সমাবেশে হাসান আল মামুন বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দুই হাজার মানুষকে হত্যাকারী নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ যদি আবারও বাসে অগ্নিসংযোগ বা কোনো ধরনের নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করে, তবে বাংলার মাটি থেকে তাদের নাম চিরতরে মুছে ফেলা হবে।’ তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ একটি জঙ্গি ও সন্ত্রাসী সংগঠন, তাদের এ দেশে রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই।
বিদেশে পলাতক নেতাদের কথায় দেশের ভেতরে থাকা আওয়ামী লীগের নিরীহ কর্মীদের কোনো ধরনের উসকানিতে পা না দেওয়ার আহ্বান জানান দলটির সাধারণ সম্পাদক। অন্যথায় তারা শান্তিতে থাকতে পারবেন না বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ বলেন, সন্ত্রাসী বিরোধী আইনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ আগামীকাল মঙ্গলবার দেশজুড়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালানোর গোপন প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই অপতৎপরতা রুখতে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে এবং পাশাপাশি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তি হিসেবে গণঅধিকার পরিষদ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা আগামীকাল রাজপথে সক্রিয় থাকবে।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট নিজামউদ্দিনের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি নাজমুল হাসান, শ্রমিক অধিকার পরিষদের সভাপতি আব্দুর রহমান, যুব অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক সবুজ সেরনিয়াবাত এবং মহানগর দক্ষিণের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল করিম শাকিল প্রমুখ।