টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জেলার শহিদ মারুফ স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি কৃষক কার্ড বিতরণ ও প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এ সময় স্থানীয় ১৫ জন কিষান–কিষানির হাতে কৃষক কার্ড ও গাছের চারা তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

এ ছাড়া ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আরও ৯ উপজেলায় কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করেন তিনি। এরপর শহরের শহিদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে কৃষি মেলার উদ্বোধন করবেন তারেক রহমান।

অনুষ্ঠানে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতানা সালাউদ্দিন টুকু এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী৷ স্বাগত বক্তব্য দেন কৃষি সচিব রফিকুল ই মোহামেদ।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংসদ সদস্য, কৃষক ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রথম ধাপে সারা দেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় প্রায় ২১ হাজার ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১ হাজার ৪৫৩ জন কৃষক এ কার্ডের সুবিধা পাবেন। এ কার্ডের মাধ্যমে বছরে আড়াই হাজার টাকা, কৃষকদের পরিচিতি, ভর্তুকি, ঋণ, বীজ ও সারসহ ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন কৃষকরা। এর ফলে কৃষি সহায়তা বিতরণে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং প্রকৃত কৃষকদের কাছে সরাসরি সরকারি সুবিধা পৌঁছানো নিশ্চিত হবে।

জানা যায়, পেশাজীবী হিসেবে কৃষকের স্বীকৃতি প্রদান, আয় বৃদ্ধি এবং ভর্তুকি বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। আগামী চার বছরে ১ কোটি ৬৫ লাখ কৃষকের হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এ কর্মসূচির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৮১ কোটি টাকা।

সোমবার কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষি কার্ড বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের জানান, কৃষক কার্ড বিতরণে টাঙ্গাইলসহ সারা দেশে ১১টি পয়েন্টে প্রি-পাইলটিং শুরু হবে। তারপর গিয়ে পাইলটিং হবে। এরপর বড় পরিসরে কার্ড দেওয়া শুরু হবে। আগামী চার বছরের মধ্যে সারা বাংলাদেশে কৃষক কার্ড বিতরণ শেষ হবে বলে আশা করছেন কৃষিমন্ত্রী।

এসএন/পিডিকে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *