পলাতক আসামি যদি দেশে আসতে চান, তাকে না করেছে কে? তার তো দেশেই থাকা উচিত ছিল। দেশে থেকেই তিনি ট্রায়াল ফেস করতে পারতেন বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
আজ রোববার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলার কুন্ডেরবাজার এলাকায় সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, যারা পালিয়ে গেছেন, যারা পলাতক আসামি, যারা ওয়ান্টেট আসামি—তারা দেশে ফিরে আসুক, সেটাই আইন চায়। তাদের যে সাজা হয়েছে—সে সাজা দেশে এসে ফেস করার যোগ্য।
সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানে একটি ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন হয়েছে। সেই সরকারের ১৭ বছরের অপকর্ম আছে, দুঃশাসন আছে, গণহত্যা আছে, ক্ষমতার অপব্যবহার আছে। এ কারণে তারা বিচারের সম্মুখীন। ইতোমধ্যে অনেক মামলায় রায় হয়েছে।
যারা পালিয়ে গেছেন-তারা গণআন্দোলনের মুখে পালিয়ে গেছেন, গণ-অভ্যুত্থানের মুখে পালিয়ে গেছেন। তাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো আছে, তাদের দল এবং নেতা যারা আছেন—তাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আছে সেগুলো এখনও আদালতে কিছুটা বিচারাধীন, কিছুর রায় প্রকাশিত। তারা আইনের ঊর্ধ্বে নন।
মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার বাংলাদেশের অবকাঠামো ঢেলে সাজিয়ে উন্নয়ন করতে চায়। সব উপজেলা পর্যায়ে যে সড়কগুলো সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতায় রয়েছে সেগুলো ১৮ ফিটে উন্নীত করার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।
টঙ্গীবাড়ি উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলী আজগর রিপন মল্লিকের সভাপতিত্বে সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে বক্তব্য দেন মুন্সীগঞ্জ-১, ২ ও ৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ ও মো. কামরুজ্জামান রতন।
এর আগে বিকেলে মন্ত্রী মুক্তারপুর-ছনবাড়ি সড়কের কুণ্ডেরবাজার এলাকায় তালতলা-ডহুরী খালে নির্মাণাধীন কুণ্ডেরবাজার সেতুর নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও দুই প্রান্তে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।