দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি ক্রিকেটার এবি ডি ভিলিয়ার্স। তিনি যখন ব্যাটিং করতে তখন বিশ্বের বাঘা বাঘা বোলারদেরও ঘাম ছুটে যেত তাকে পরাস্ত করতে। ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন ডি ভিলিয়ার্স। আপাতত কোচিং বা অন্য কোনো পেশার সঙ্গে যুক্ত নন তিনি। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের সফলতা নিয়ে লাইভে কথা বলেন ডি ভিলিয়ার্স। সেখানে বাংলাদেশের ব্যাটিং কোচ হওয়া নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি।
সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে আলোচনা চলাকালীন বাংলাদেশি এক সমর্থক ডি ভিলিয়ার্সকে বাংলাদেশে এসে ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব নেওয়ার অনুরোধ করেন। সেটার জবাবে প্রোটিয়া এই কিংবদন্তি ক্রিকেটার জানিয়েছেন, আপাতত কোচিং করানোর কোনো পরিকল্পনা নেই তার। তবে সাময়িক সময়ের জন্য ব্যাটিং কনসালটেন্সি হলে সেটি ভেবে দেখবেন তিনি।
ডি ভিলিয়ার্স বলেন, ‘(বাংলাদেশের কোচ হওয়া প্রসঙ্গে) ধন্যবাদ। তবে এখন এসব নিয়ে ভাবছি না। আরও অনেক বিষয় নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটছে। টিম বাসে ওঠার জন্য এখন প্রস্তুত নই। হয়তো অল্প কিছুদিনের জন্য কনসাল্টিং করা যায়, কিংবা প্ৰাক্-মৌসুমে কয়েকজন ব্যাটসম্যানের সঙ্গে কাজ করা যায়। তবে এখন তিন সন্তানকে রেখে বিশ্বভ্রমণের জন্য প্রস্তুত নই আমি।’
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দারুণ সময় কাটিয়েছে বাংলাদেশ। দীর্ঘ ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়েই ইতিহাস রচনা করেছে টাইগাররা। ডারউইনে দাপুটে ক্রিকেট খেলে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবার তাদের মাটিতে জয় তুলে নেয় নাজমুল হোসেন শান্তর দল। দুই ম্যাচের সিরিজ ১-১ ব্যবধানে ড্র করে এসেছে বাংলাদেশ।
টাইগারদের পরের টেস্ট সিরিজ দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে। সেখানেও বাংলাদেশ দারুণ লড়াই করবে বলে মনে করেন ডি ভিলিয়ার্স। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই করবে বাংলাদেশ। দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বের সবচেয়ে কঠিন জায়গাগুলোর একটি। বিশেষ করে ব্যাটসম্যানদের জন্য। বল শুধু সুইং করে না, সিমেও মুভ করে। পিচে পড়ার পর মুভ করে। খুব বেশি খেলোয়াড় এতে অভ্যস্ত নয়। তাদের মুখোমুখি হওয়াটা তাই খুব কঠিন।’
বাংলাদেশকে এমন কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার তাগাদা দিয়ে শুভ কামনা জানিয়েছেন সাবেক এই প্রোটিয়া কিংবদন্তি। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ দলের প্রতি শুভকামনা। আমার মনে হয়, তাদের ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। সিমিং ও বাউন্সি কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে।’