বাংলাদেশের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছিল অস্ট্রেলিয়া। স্বাগতিকদের হয়ে একমাত্র হাফসেঞ্চুরি করতে পেরেছেন স্টিভেন স্মিথ। অসিদের হয়ে সর্বোচ্চ রানের ইনিংসও তার। শেষ পর্যন্ত ১০৯ বলে ৭১ রান করেছেন স্মিথ। তার কল্যাণেই দুইশ রানের কাছাকাছি যেতে পেরেছে অস্ট্রেলিয়া।
তবে ম্যাচের পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত। স্মিথও ফিরে যেতে পারতেন আগেই, অস্ট্রেলিয়াকেও আরও আগেই আটকে দিতে পারত বাংলাদেশ। কিন্তু সব সম্ভাবনা ব্যর্থ করে দেয় প্রযুক্তি! ম্যাচের ২১তম ওভারের ঘটনা, ইবাদত হোসেনের বল স্মিথের ব্যাটের পাশ দিয়ে গিযে জমা পড়ে লিটন দাসের গ্লাভসে। বাংলাদেশ জোড়ালো আবেদন করলেও সাড়া দেননি আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা।
রিভিউয়ের জন্য আবেদন করে বাংলাদেশ। এরপরই ড্রেসিংরুমের পথে হাঁটা ধরেছিলেন স্মিথ। কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে রিপ্লেতে দেখা যায়, আলট্রাএজে কোনো ‘স্পাইক’ বা শব্দতরঙ্গ ধরা পড়েনি। বেঁচে যান স্মিথ। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে অবশ্য স্মিথ একরকম স্বীকারই করে নিলেন, বল তার ব্যাটে লেগেছিল।
স্মিথ বলেন, ‘আমারও তা–ই মনে হয় (ব্যাটে লেগেছে)। মাঝেমধ্যে এমন হয়। হয়তো আমার ব্যাটে লাগেনি, কিন্তু আমি (বল ব্যাটে লাগার মতো) কিছু একটা অনুভব করেছি। যদি আউট দিত, চলে যেতাম। কিন্তু মনে হচ্ছে প্রযুক্তি আমাকে আজ বাঁচিয়ে দিয়েছে।’
ডারউইনে আজ দারুণ বোলিং করেছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার ১০ উইকেটের সবগুলোই নিজেদের ঝুলিতে পুড়েছে বাংলাদেশ। টাইগার বোলারদের প্রশংসা করে স্মিথ বলেন, ‘আমার মনে হয় সব বোলাররাই খুব ভালো বল করেছে। ব্যাটসম্যানদের জন্য চ্যালেঞ্জ ছিল। বল একটু সিম করছিল, তারা বেশ ভালো লেংথে বল করেছে ও আমাদের ডিফেন্সকে চাপে ফেলেছে। আমার মনে হয়েছে, তাদের সব বোলারই আজ বেশ ভালো বোলিং করেছে।’