স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিল্লাল হত্যা : আসামি হাবিব কারাগারে

স্বেচ্ছাসেবক দলের রমনা থানার সাবেক আহ্বায়ক বিল্লাল হোসেন তালুকদারকে (৫৭) হত্যার ঘটনায় খাজা হাবিবুল্লাল হাবিবকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ বুধবার (১২ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অপরাধ, তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) শাহ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। 

গত ৭ আগস্ট হাবিবুল্লাল হাবিবকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। পরে তাকে রমনা মডেল থানায় নেওয়ায় হয়। ওইদিন দুপুর দেড়টার দিকে থানায় অসুস্থ  হয়ে পড়েন তিনি। তাকে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। বিষয়টি আদালতকে অবহিত করা হয়। সুস্থ হওয়ার পর আজ তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা রমনা মডেল থানার পরিদর্শক আতিকুল আলম খন্দকার।

নথি থেকে জানা যায়, চলতি বছরের ৮ জুন রাত ৮টার দিকে সালিশের কথা বলে মৌচাকের আনারকলি মার্কেট সংলগ্ন এলাকায় ডেকে নিয়ে বিল্লালকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় তার স্ত্রী আম্বিয়া খাতুন পরদিন রমনা থানায় ২১ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতপরিচয় আরো সাত-আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। বিল্লাল খাবার হোটেলের ব্যবসা করতেন। বিল্লালের ভাগ্নে মোবারক হোসেন আকাশ মৌচাকের আনারকলি মার্কেটে ব্যবসা করেন। আসামি দিদারুল ইসলাম বাবু আনারকলি মার্কেটের ফুটপাত ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত বিদ্যুৎ বিল ও ময়লা পরিষ্কারের বিলের নাম করে চাঁদা তুলত। এ নিয়ে দিদারুলের সঙ্গে বিল্লালের ভাগ্নে আকাশের বিরোধ চলছিল।

নথি থেকে আরও জানা গেছে, ৮ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আকাশের বিষয়ে দিদারুল কথা বলবে জানিয়ে বিল্লালকে আনারকলি মার্কেটের পেছনে ডেকে নেয়। দিদারুলসহ অন্য আসামিরা রাত পৌনে ৮টার দিকে বিল্লালের ওপর হামলা চালায় ও মারধর করে। একপর্যায়ে দিদারুলের নির্দেশে রিয়াজুল ছুরি দিয়ে বিল্লালের বুকে আঘাত করে। আকাশকেও মারধর করে আহত করা হয়। আকাশের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে আসামিরা পালিয়ে যায়। এরপর বিল্লালকে প্রথমে ইসলামী ব্যাংক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। রাত পৌনে ১০টার দিকে মারা যান বিল্লাল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *