গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে গোপীনাথপুর দারুল উলুম কওমি মাদ্রাসা ও এতিমখানার একটি কক্ষ থেকে জানালার গ্রিল কেটে হুসাইন কাজী (১২) নামের এক আবাসিক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গতকাল মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার পশ্চিম গোপীনাথপুর দারুল উলুম কওমি মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত হুসাইন কাজী উপজেলার বহুগ্রাম ইউনিয়নের বলনারায়ণ গ্রামের পলাশ কাজীর ছেলে।
মাদ্রাসা সূত্রে জানা যায়, আসরের নামাজ শেষে শিক্ষার্থীরা বাইরে খেলাধুলা করছিল এবং শিক্ষকরাও বাইরে ছিলেন। এমন সময় এক অভিভাবক তার সন্তানের পোশাক নিতে দোতলার একটি কক্ষে গিয়ে সেটি ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান। জানালা দিয়ে ভেতরে তাকালে তিনি হুসাইনকে গলায় গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় একটি ট্রাঙ্কের ওপর উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার দেন। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে ঢুকে তাকে উদ্ধার করে।
উদ্ধারকারী ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা লিডার রেজাউল করিম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা দোতলার ঘরের দুটি দরজাই ভেতর থেকে বন্ধ পান। কোনো উপায়ে দরজা খুলতে না পেরে খোলা থাকা একটি জানালার গ্রিল কেটে তারা ভেতরে প্রবেশ করেন এবং শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে মুকসুদপুর থানা পুলিশকে হস্তান্তর করেন।
মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ অনুসন্ধানে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।