দীর্ঘ প্রায় ছয় মাসের জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে মুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেছে থালাপতি বিজয় অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্র ‘জন নায়গণ’। ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ছবিটি পর্যালোচনার পর সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন (সিবিএফসি) নির্মাতাদের কিছু সংশোধনের নির্দেশ দিয়েছে। এসব পরিবর্তনের কাজ শেষ হলে জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ অথবা আগস্টের প্রথম সপ্তাহে ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে পারে। একই সঙ্গে ছবিটির জন্য ‘এ’ (শুধু প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য) সনদ পাওয়ার সম্ভাবনার কথাও জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, সিবিএফসির নির্দেশনা অনুযায়ী সম্পাদনার পাশাপাশি ডাবিংয়ের কাজও দ্রুত এগোচ্ছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই ডাবিং শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে চলতি জুলাইয়ের শেষেই দর্শকের সামনে আসতে পারে সিনেমাটি।
প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান কেভিএন প্রোডাকশনস–এর সুপ্রিথ মোহনও জানিয়েছেন, মুক্তির জন্য জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ কিংবা আগস্টের প্রথম সপ্তাহকে লক্ষ্য রাখা হয়েছে।
পরিচালক এইচ. বিনোদের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের এই ছবিটি শুরুতে ২০২৬ সালের ৯ জানুয়ারি ‘পঙ্গল’ উপলক্ষে মুক্তির কথা ছিল। তবে সেন্সর-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয়নি। বিজয়ের রাজনৈতিক জীবনে সক্রিয় হওয়ার পর এটিকেই তাঁর শেষ অভিনীত চলচ্চিত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে, ফলে ছবিটি ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ আরও বেড়েছে।
এর আগে পরীক্ষক কমিটি কিছু কাটছাঁটের শর্তে ছবিটিকে ইউ/এ সনদের সুপারিশ করলেও পরবর্তীতে আপত্তির কারণে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা কমিটির কাছে পাঠানো হয়। অভিযোগ ছিল, ছবির কয়েকটি দৃশ্য ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করতে পারে এবং সশস্ত্র বাহিনীকে বিতর্কিতভাবে উপস্থাপন করেছে। এ কারণেই ছবিটির মুক্তি দীর্ঘদিন পিছিয়ে যায়।
এদিকে সেন্সর প্রক্রিয়া চলাকালে ২০২৬ সালের এপ্রিলে ছবিটির কিছু অংশ অনলাইনে ফাঁস হয়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে তামিলনাড়ু সাইবার ক্রাইম শাখা এবং পরে একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
‘জন নায়গণ’-এ বিজয়ের বিপরীতে অভিনয় করেছেন পূজা হেগড়ে। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন গৌতম মেনন, প্রিয়া ভবানী শংকর ও যোগী বাবুসহ আরও অনেকে।
এসএন/পিডিকে