জার্মানি নাকি প্যারাগুয়ে, কারা জিতবে? সুপারকম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী

২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপের সেই ফাইনালের পর এই প্রথম ফুটবল বিশ্বকাপের কোনো নকআউট পর্বের ম্যাচে মাঠে নামছে জার্মানি। ২০১৮ এবং ২০২২ সালের দুটি আসরে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়ের পর এবার দারুণ ছন্দে থেকে গ্রুপ পর্ব শেষ করেছে জার্মানি। এবার শেষ ৩২- এর লড়াই জয় করার লক্ষ্য তাদের।

আজ সোমবার (২৯ জুন) বাংলাদেশ সময় দিনগত রাত আড়াইটায় যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন স্টেডিয়ামে প্যারাগুয়ের মুখোমুখি হবে জার্মানি।

এবারের বিশ্বকাপটা দারুণভাবে শুরু করেছিল জার্মানি। কুরাসাওকে উড়িয়ে দিয়েছিল ৭-১ ব্যবধানে। এরপর আইভরি কোস্টের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও ডেনিজ উনদাভের জোড়া গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় পায় তারা। তবে নিজেদের শেষ গ্রুপ ম্যাচে হোচট খায় জার্মানরা। ইকুয়েডরের কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে বসে চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।

অন্যদিকে, প্যারাগুয়ে তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছিল স্বাগতিক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ৪-১ ব্যবধানে হেরে। তবে পরের ম্যাচেই মিগুয়েল আলমিরন লাল কার্ড দেখা সত্ত্বেও তুরস্ককে ১-০ ব্যবধানে হারায় এবং শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে শেষ ৩২-এ জায়গা করে নেয়।

অপ্টার সুপারকম্পিউটার ২৫ হাজারবার সিমুলেশনের পর জানিয়েছে, এই ম্যাচে জার্মানিই স্পষ্ট ফেভারিট। নাগেলসম্যানের দল নির্ধারিত ৯০ মিনিটের মধ্যেই ম্যাচটি জিতবে এমন সম্ভাবনা ৭১.২ শতাংশ। অন্যদিকে, প্যারাগুয়ের জয়ের সম্ভাবনা মাত্র ১১.৬ শতাংশ এবং ম্যাচটি ড্র হওয়ার সম্ভাবনা ১৭.২ শতাংশ। সামগ্রিকভাবে, জার্মানির শেষ ১৬-তে যাওয়ার সম্ভাবনা ৮২.৩ শতাংশ এবং প্যারাগুয়ের পরবর্তী রাউন্ডে যাওয়ার সম্ভাবনা মাত্র ১৭.৭ শতাংশ।

মুখোমুখি পরিসংখ্যানেও এগিয়ে জার্মানি। এর আগে বিশ্বকাপে দুই দল মুখোমুখি হয়েছিল দু’বার। ২০০২ সালের জাপান-দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বকাপে রাউন্ড অব ১৬-এর ম্যাচে অলিভার নিউভিলের শেষ মুহূর্তের গোলে ১-০ ব্যবধানে জিতেছিল জার্মানি। এরপর থেকে বিশ্বকাপের নকআউটে দক্ষিণ আমেরিকান দলগুলোর বিপক্ষে নিজেদের শেষ ৫টি ম্যাচের সবকটিতেই জিতেছে জার্মানি।

বিপরীতে, প্যারাগুয়ে ইউরোপীয় দলগুলোর বিপক্ষে নকআউট পর্বের আগের চারটি ম্যাচের সবকটিতেই হেরেছে এবং একটিতেও গোলের দেখা পায়নি।

তবে জার্মানির নির্ভার থাকার কোনো সুযোগ নেই। এবারের বিশ্বকাপের অঘটনগুলোর মধ্যে তারা নিজেরাই ইতোমধ্যে একটি প্রত্যক্ষ করেছে। ফলে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে পরিসংখ্যান নয়, কথা বলতে হবে মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *