শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত জয়ের জন্য মরিয়া লড়াই করেছে দুই দল। তবে নির্ধারিত সময় ও যোগ করা সময়ের নাটকীয়তার পরও কেউই ব্যবধান গড়তে পারেনি। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ জি-র শেষ ম্যাচে ১–১ গোলে ড্র করে পাঁচ পয়েন্ট নিয়ে শেষ ৩২ নিশ্চিত করেছে মিসর। অন্যদিকে তিন ম্যাচে তিন ড্রয়ে তিন পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপে তৃতীয় হওয়া ইরানকে এখন নকআউটে ওঠার জন্য অন্য গ্রুপগুলোর ফলাফলের অপেক্ষায় থাকতে হবে।
ম্যাচের শুরু থেকেই ছিল দারুণ গতি। খেলা শুরুর মাত্র পাঁচ মিনিটেই এগিয়ে যায় মিসর। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করেন মাহমুদ সাবের। তবে সেই লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি আফ্রিকার দলটি। ১৪তম মিনিটে কঠিন কোণ থেকে দুর্দান্ত শটে সমতায় ফেরান ইরানের রামিন রেজায়িয়ান।
প্রথমার্ধেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল ইরান। পেনাল্টি আদায় করলেও মেহদি তারেমির নেওয়া শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন মিসরের গোলরক্ষক। ফলে সমতায় থেকেই বিরতিতে যায় দুই দল।
দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণ পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। শেষ দিকে একের পর এক সুযোগ তৈরি করে ইরান। তারেমির জোরালো হেড ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। এরপর যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে শোজা খলিলজাদেহ বল জালে জড়িয়ে উল্লাসে মাতলেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। নাটকীয় সেই মুহূর্তের পর আর কোনো গোল না হওয়ায় ১–১ সমতায় শেষ হয় ম্যাচ।
এই ড্রয়ে গ্রুপ পর্বে অপরাজিত থেকেই পাঁচ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে মিসর। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জয় এবং বেলজিয়াম ও ইরানের বিপক্ষে দুটি ড্রয়ে তারা গ্রুপ রানার্সআপ হিসেবে শেষ ৩২ নিশ্চিত করেছে। একই পয়েন্ট পেলেও গোল ব্যবধানে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বেলজিয়াম।
অন্যদিকে ইরানও তিনটি ম্যাচেই হার এড়ালেও জয়ের দেখা পায়নি। তিন ড্রয়ে তিন পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপে তৃতীয় হয়েছে দলটি। ফলে নকআউটে ওঠার জন্য এখন তাদের অপেক্ষা করতে হবে অন্য গ্রুপগুলোর ফলাফলের দিকে। সেরা আট তৃতীয় স্থানধারী দলের একটি হতে পারলেই কেবল নকআউট পর্বে খেলার সুযোগ পাবে তারা।