২০২৬ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন কানাডীয় কবি ও লেখক অ্যান কারসন।
আজ বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টায় রয়েল সুইডিশ একাডেমি সাহিত্যে নোবেল বিজয়ীর নাম ঘোষণা করে।
নোবেল কমিটি জানিয়েছে, শাস্ত্রীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে খেলাচ্ছলে সংলাপের মাধ্যমে সমকালীন সাহিত্যে নতুন নতুন রূপ সৃষ্টিতে তার সাহসী ও সৃজনশীল কর্মের জন্য তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
কারসনের সাহিত্যকর্মে প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সাহিত্য-ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিক সাহিত্যিক ভাবনা ও পরীক্ষামূলক রীতির সংমিশ্রণ দেখা যায়। কবিতা, অনুবাদ, প্রবন্ধ ও গদ্যে তার বহুমাত্রিক কাজ সমকালীন সাহিত্যে স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন হাঙ্গেরিয়ান লেখক লাজলো ক্রাজনাহরকাই।
এর আগে, বুধবার (৭ অক্টোবর) রসায়নে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পান ফরাসি রসায়নবিদ হেনরি কাগান এবং জাপানি রসায়নবিদ কেনসো সোয়াই। এছাড়াও গত মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান বেলজিয়ামের পদার্থবিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হালজ্যান। আর সোমবার (৫ অক্টোবর) চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পান মার্কিন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ও নিউরোলজিস্ট কার্ল ডাইসেরথ এবং জার্মান বিজ্ঞানী পিটার হেগেমান ও জর্জ নাগেল।
সাহিত্যের পর শুক্রবার শান্তিতে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হবে। ১২ অক্টোবর অর্থনীতিতে নোবেল ঘোষণার মধ্য দিয়ে এ বছরের নোবেল মৌসুম শেষ হবে।
১৯০১ সালে আলফ্রেড নোবেলের ইচ্ছাপত্র অনুযায়ী নোবেল পুরস্কার প্রদান শুরু হয়। ডিনামাইট আবিষ্কারক নোবেল তার যাবতীয় সম্পদ উৎসর্গ করেন মানবতার কল্যাণে, বিশেষ করে চিকিৎসা, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, সাহিত্য ও শান্তিক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি দিতে। পরে অর্থনীতিকে যুক্ত করা হয়, যার অর্থায়ন করে সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
প্রতিবছর পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ কমিটি। চিকিৎসা, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, সাহিত্য ও অর্থনীতিতে নোবেল প্রদান করা হয় সুইডেনের স্টকহোমে, আর একমাত্র শান্তিতে নোবেল দেওয়া হয় নরওয়ের রাজধানী অসলোতে।