শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে : পার্বত্য মন্ত্রী

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী বলেছেন, সম্প্রীতির জেলা বান্দরবান, এটি বলাটা সহজ। তবে শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষায় আমাদের সবার ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) শহরের প্রেসক্লাবের সামনে গণসংবর্ধনা ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী বলেন, পার্বত্য অঞ্চল শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ সবক্ষেত্রেই পিছিয়ে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় রাষ্ট্রীয় নীতি ও দিকনির্দেশনা অনুসরণ করে এগিয়ে যেতে হবে। এ অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে শান্তি ও সম্প্রীতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিষয়গুলোর গুরুত্ব অনুধাবন করে সরকারের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেই পার্বত্যবাসীর কল্যাণে আমাদের কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনায় এগিয়ে যাবে পার্বত্য জেলাগুলোও।

সভায় জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. ওসমান গনি, আব্দুল মাবুদ, সাশৈপ্রু, মুজিবুর রশীদ, মশিউর রহমান মিঠুন, জাহাঙ্গীর আলম, জেলা রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক দৌলতুল কবীর খান, বিএনপিনেতা সাবিকুর রহমান জুয়েল, জেলা যুবদলের সভাপতি জহির উদ্দিন মাসুম, সাধারণ সম্পাদক আরিফ চৌধুরী ও জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ফরহাদ হোসেন জিকুসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে গণসংবর্ধনা ও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সভায় জেলার সাতটি উপজেলা, দুটি পৌরসভা এবং চৌত্রিশ ইউনিয়ন থেকে পাহাড়ি বাঙালি বিএনপিসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা খণ্ডখণ্ড মিছিল নিয়ে জড়ো হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠান পরিণত হয় পাহাড়ি-বাঙালির মিলনমেলায়।

এর আগে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরীকে বান্দরবানে রাজকীয় সংবর্ধনায় বরণ করা হয়। মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বগ্রহণের পর আজ মঙ্গলবার দুপুরে সড়কপথে চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচনি এলাকা বান্দরবান পৌঁছান তিনি।

এ সময় মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরীকে মোটরসাইকেল, গাড়ির বহরের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় জেলার প্রবেশমুখ হলুদিয়া থেকে বরণ করে নিয়ে আসে বিএনপিসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। তখন সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে নেতাকর্মীরা মন্ত্রীকে ফুল ছিটিয়ে এবং ফুলের তোরা দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। তাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে নির্মাণ করা হয় শতাধিক তোরণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *