ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছেন, দেশটির সামরিক বাহিনী দূরপাল্লার হামলায় রাশিয়ার দুটি গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারে সফলভাবে আঘাত হেনেছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর ইউক্রেনের ধারাবাহিক হামলার অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে।
জেলেনস্কির ভাষ্য অনুযায়ী, হামলার লক্ষ্য ছিল বাশকোর্তোস্তান ও ইয়ারোস্লাভল অঞ্চলের দুটি তেল শোধনাগার। খবর বিবিসির।
হামলার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, ইয়ারোস্লাভল শহরের আকাশ ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে।
ইয়ারোস্লাভলের গভর্নর জানান, এটি ছিল অঞ্চলটির ইতিহাসে শত্রুপক্ষের সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা। তার দাবি, রুশ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ৯৩টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করেছে। তবে ধ্বংস হওয়া ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে তেল সংরক্ষণাগারের ট্যাংকে আগুন লাগে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশজুড়ে একাধিক অঞ্চলে ইউক্রেনের মোট ৬০৫টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। এসব হামলায় তিনজন নিহত হওয়ার খবরও জানিয়েছে রুশ কর্তৃপক্ষ।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইউক্রেন রাশিয়ার তেল শোধনাগার, গুদাম ও সামরিক সরবরাহ অবকাঠামো লক্ষ্য করে একের পর এক দূরপাল্লার হামলা চালিয়ে আসছে। এসব হামলার ফলে রাশিয়ার অভ্যন্তরে সাধারণ মানুষের উদ্বেগও বাড়ছে বলে বিভিন্ন জনমত জরিপে উঠে এসেছে।
অন্যদিকে ইউক্রেনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, একই সময়ে রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন।