ব্যবসায়িক ও পর্যটন ভিসায় ভ্রমণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কয়েকটি দেশের নাগরিকদের জন্য শর্ত হিসেবে সর্বোচ্চ ২০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত ফেরতযোগ্য ‘ভিসা বন্ড’ দেওয়ার বিধান স্থায়ী করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। ৫০টি দেশের নাগরিকদের ওপর প্রয়োগ হতে যাওয়া এই সিদ্ধান্ত আগামী ৩ আগস্ট থেকে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হবে। খবর রয়টার্সের।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩১ জুলাই) মার্কিন ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত এক অনলাইন বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে স্থায়ী সিদ্ধান্তের চূড়ান্ত খসড়া নিশ্চিত করা হয়।
নতুন বিধান অনুযায়ী, বি১ (ব্যবসা) ও বি২ (পর্যটন) ক্যাটাগরির ভিসা আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে কনসুলার কর্মকর্তারা আবেদনভেদে ১০ হাজার, ১৫ হাজার কিংবা সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড নির্ধারণ করে দিতে পারবেন।
ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে গত বছর আগস্টে চালু হওয়া এক বছর মেয়াদি পরীক্ষামূলক (পাইলট) প্রকল্প সফল দাবি করে এটি স্থায়ী রূপ পাচ্ছে। পাইলট প্রকল্পে বন্ডের সর্বনিম্ন পরিমাণ ৫ হাজার ডলার থাকলেও নতুন বিধানে সেটি বাদ দিয়ে সর্বনিম্ন সীমা ১০ হাজার ডলার করা হয়েছে।
তালিকাভুক্ত ৫০টি দেশের মধ্যে ৩০টিরও বেশি দেশই আফ্রিকান মহাদেশের। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবৈধভাবে থেকে যাওয়ার (ভিসা ওভারস্টে) প্রবণতা ঠেকাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
প্রাথমিক ফলাফলে নির্দিষ্ট দেশগুলো থেকে বেশিদিন থাকার হার উল্লেখজনকভাবে কমে এসেছে বলে উল্লেখ করা হয়। বন্ডের এই অর্থ ফেরতযোগ্য হলেও ইমিগ্রেশন ও মানবাধিকার আইনজীবীরা বলছেন, অতিরিক্ত অর্থের এই চাপ দরিদ্র অঞ্চলের বৈধ ভ্রমণকারীদের মারাত্মকভাবে নিরুৎসাহিত করবে।