পুলিশের মোটরসাইকেল দিয়ে বাণিজ্যিক রাইড শেয়ারিং সেবা ‘র্যাপিডো’ চালানোর ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। ভারতের তেলেঙ্গানার ওয়ারঙ্গলে এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। এরপর বিষয়টি তদন্তে বিভাগীয় পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়েছে। খবর এনডিটিভির।
জানা গেছে, অম্বেদকর জংশন থেকে সুবেদারি পর্যন্ত ২৬ রুপিতে র্যাপিডো বাইক বুক করেন এক যাত্রী। নির্দিষ্ট সময়ে রাইডার পৌঁছালে তিনি দেখতে পান, চালক পুলিশের জরুরি সেবায় ব্যবহৃত একটি ‘ব্লু কোল্ট’ টহল মোটরসাইকেলে করে এসেছেন। গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর টিএস ০৯ পিসি ২৭৯৫। সরকারি পুলিশের বাইক দেখে অবাক হয়ে যাত্রী ভিডিও করতে শুরু করলে চালক দাবি করেন, মোটরসাইকেলটি তার এক পুলিশ সদস্য বন্ধুর।
পরবর্তীতে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, মোটরসাইকেলটি এনামামুলা থানা এলাকায় জরুরি টহল ও দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর কাজে নিয়োজিত ছিল। এটি সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) গুভভা শঙ্করের নামে বরাদ্দ ছিল। মূলত ওই পুলিশ কর্মকর্তার ছেলে গুভভা সিদ্ধান্ত সরকারি যানবাহনটি বাণিজ্যিকভাবে রাইড শেয়ারিংয়ের কাজে ব্যবহার করছিলেন।
বিষয়টি সামনে আসার পর এনামামুলা সার্কেল ইন্সপেক্টর (সিআই) জে সুরেস বিষয়টি স্বীকার করে জানান, সরকারি সম্পদের অপব্যবহারের কারণে সংশ্লিষ্ট এসআই শঙ্করকে সতর্ক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে ওয়ারঙ্গল পুলিশ কমিশনারের কাছে একটি প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।
উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজ ও গাড়ির নথি পর্যালোচনা করে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।