বিশ্বজয়ের মুকুট মাথায় ওঠার পরই নতুন এক পরীক্ষার সামনে স্পেন। মাঠের অসাধারণ পারফরম্যান্সে বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মর্যাদা পাওয়া দলটিকে ঘিরে এবার উঠেছে বেটিং-সংক্রান্ত প্রশ্ন। দুটি ম্যাচে অস্বাভাবিক বেটিং কার্যক্রমের ইঙ্গিত পাওয়ার পর বিষয়টি খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তবে এখন পর্যন্ত স্পেনের সাফল্য বা কোনো খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে অনিয়মের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
স্পোর্টস ইন্টিগ্রিটি পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা গ্রুপ অব কোপেনহেগেন বিশ্বকাপের মোট ১০৪টি ম্যাচ বিশ্লেষণ করেছে। তাদের পর্যবেক্ষণে ৭টি ম্যাচে সন্দেহজনক বেটিং কার্যক্রমের তথ্য সামনে এসেছে। এর মধ্যে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনের দুটি ম্যাচ রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, স্পেনের ওই ম্যাচগুলোতে বেটিং বাজারে কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন হয়েছিল কি না। একটি ম্যাচে স্পেন জয় না পাওয়ার সম্ভাবনা ঘিরে প্রায় ৪.৮ মিলিয়ন ডলার অর্থের বাজি পড়ার বিষয়টি নজরে এসেছে। পাশাপাশি আরেকটি ম্যাচে নির্দিষ্ট কিছু ঘটনা ঘিরে বেটিংয়ের অস্বাভাবিক গতিবিধিও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোনো ম্যাচে হঠাৎ বড় অঙ্কের বাজি বা অস্বাভাবিক বেটিং প্রবণতা দেখা গেলে সেটি সতর্ক সংকেত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাই তদন্তের মূল লক্ষ্য হলো, এসব বেটিংয়ের পেছনে কেউ আগে থেকে পাওয়া কোনো গোপন তথ্য ব্যবহার করেছে কি না। তবে শুধু সন্দেহজনক বেটিং পাওয়া মানেই ম্যাচ পাতানো হয়েছে এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না।
স্পেনের বিরুদ্ধে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়নি। কোনো খেলোয়াড়, কোচ বা কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও নেওয়া হয়নি কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা। তদন্তের ফলাফলই নির্ধারণ করবে, এই সন্দেহের পেছনে সত্যিই কোনো অনিয়ম ছিল কিনা। আপাতত বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনের শিরোপা ও অর্জন অক্ষুণ্ন রয়েছে।