প্রযুক্তি, পর্যটন ও অন্যান্য সৃজনশীল খাতে তরুণ উদ্যোক্তা সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন নেপালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, এশিয়ার দেশগুলোর জনগণ, ব্যবসায়ী, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যমকর্মী ও তরুণ উদ্যোক্তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার মাধ্যমে এ অঞ্চলের বিপুল সম্ভাবনাকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) কাঠমান্ডুর একটি স্থানীয় হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘এশিয়ান প্রফেশনাল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’-এর সপ্তম আসরে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত এসব কথা বলেন। নেপালের প্রথম রাষ্ট্রপতি ড. রাম বরণ যাদব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
‘সিজন মিডিয়া’ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ, নেপাল, চীন, মালয়েশিয়া, জাপান ও কোরিয়াসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন। এতে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তিদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।
রাষ্ট্রদূত শফিকুর রহমান বলেন, এ ধরনের স্বীকৃতি তরুণদের নিজেদের সক্ষমতার ওপর আস্থা রাখতে এবং কঠোর পরিশ্রম, দৃঢ় সংকল্প ও উদ্ভাবনী চিন্তার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক অবদান রাখতে উৎসাহিত করবে। বিশ্ব অর্থনীতিতে এশিয়ার ক্রমবর্ধমান ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি ব্যবসা-বাণিজ্য, জ্বালানি, শিক্ষা, প্রযুক্তি, পর্যটন ও সৃজনশীল শিল্পে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ ও নেপালের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সম্পর্ক ক্রমাগত সম্প্রসারিত হচ্ছে। অভিন্ন সমৃদ্ধি অর্জনে বিদ্যমান সম্ভাবনাগুলোকে কাজে লাগানোর ওপরও তিনি জোর দেন।
অনুষ্ঠানে শিল্পখাতে দীর্ঘদিনের অবদানের জন্য পঞ্চকন্যা গ্রুপের চেয়ারম্যান প্রেম বাহাদুর শ্রেষ্ঠকে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হয়। এছাড়া বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য তিন বাংলাদেশি সম্মাননা লাভ করেন। তারা হলেন- মিম শরৎ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান আলহাজ মো. সোহাগ, দৈনিক খবরের কাগজের প্রধান ফটোসাংবাদিক ইন্দ্রজিৎ কুমার ঘোষ এবং আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফার মো. শরীফ সারোয়ার।
অনুষ্ঠানে নেপাল ফটোগ্রাফি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও ‘সিজন মিডিয়া’র চেয়ারম্যান প্রদীপ রাজ আন্তোসহ নেপাল ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।