পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব ধর্মের মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখতে চাই। শারদীয় দুর্গোৎসব চলাকালে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে। আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে ফেনী শহরের জয়কালী মন্দিরের দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী সব সময় বলেন, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। আমাদের পরিচয় আমরা সবাই বাংলাদেশি। এখানে কে হিন্দু, বৌদ্ধ কিংবা খ্রিষ্টান, সেটি বড় কথা নয়। সবাই নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করবেন। আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। তিনি আরও বলেন, সব ধরনের সাম্প্রদায়িক বৈষম্যের ঊর্ধ্বে উঠে একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু বলেন, আমরা অতীতেও আপনাদের সঙ্গে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকব। আমরা সবাই মিলেমিশে বসবাস করব।
হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি ও বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট পার্থ পাল চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ফেনীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহাবুবউল করিম, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক এম এ খালেক, জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইদুল ইসলাম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার, যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী, সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলাল এবং জেলা পূজা ঐক্য ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক জ্ঞান শর্মা।
এ সময় জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
পরে মন্ত্রী তার নির্বাচনি আসন ফেনী-৩-এর সোনাগাজী উপজেলার কেন্দ্রীয় মন্দির পরিদর্শন করেন। এরপর তিনি সাতবাড়ীয়া রাধাগোবিন্দ মন্দিরও পরিদর্শন করেন।
এ সময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহাবুবউল করিম, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক এম এ খালেক, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জয়নাল আবেদিন বাবলু, সদস্যসচিব সৈয়দ আলম ভূঞা, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক খুরশিদ আলম ভূঞা, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবু বক্কর সিদ্দীক মারুক, উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি সমর দাসসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।