রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেছেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার রেলপথে আমরা যাত্রীসেবা বৃদ্ধি করতে চাই। রেলপথে ঢাকা-চট্টগ্রামের দূরত্ব যাতে কমিয়ে আনার লক্ষ্যে সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সেজন্য নারায়ণগঞ্জ থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত একটি কর্ডলাইন স্থাপন করার জন্য ফিজিবিলিটি স্টাডির কাজ চলছে।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংকালে রেলপথ প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরত্ব কমে যাবে। সে ক্ষেত্রে এক ঘণ্টা ২০ মিনিট সময় কমে আসবে।
এর আগে, প্রতিমন্ত্রী কক্সবাজার থেকে দোহাজারি পর্যন্ত রেলপথ পরিদর্শন করেন।
রেলের বিভিন্ন জায়গা দখল করে মাদকের আখড়া প্রতিষ্ঠিত হয়েছে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেন, সরকার মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে, মাদক প্রতিরোধে নতুন আইন প্রণয়ন করেছে। শুধু রেল নয়, মাদকের বিরুদ্ধে সারা দেশে অভিযান চলছে। সুতরাং মাদকের সঙ্গে যারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত তাদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে সরকার বদ্ধপরিকর। মাদকের মঙ্গে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে রেলপথ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার একটি গণতান্ত্রিক সরকার। সুতরাং আমাদের জনগণের কাছে জবাবদিহিতা রয়েছে। রেলওয়ে কর্মকর্তাদের ব্যাপারে যেসব অভিযোগ আমরা পাই, সেগুলো তদন্ত কমিটি করার মাধ্যমে তদন্ত কমিটির যে সিদ্ধান্ত সেটা বাস্তবায়ন করা হয়। যেকোনো অভিযোগ পেলে সেটা তদন্ত করে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, নতুনভাবে রেলের কোনো জায়গা লিজ দেওয়া হবে না। ইতোমধ্যে যেগুলো লিজ দেওয়া হয়েছে, সেগুলো যাচাই-বাছাই করে যেসব বাতিল করার প্রয়োজন সেগুলো বাতিল করা হবে। বর্তমানে রেলের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় দলীয়করণ করার কোনো সুযোগ নেই। তারপরও আমরা যদি কোনো অভিযোগ পাই, অবশ্যই সেগুলো সঙ্গে সঙ্গে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।