পেশায় চিকিৎসক অ্যাকটন বিদায়ী রিপাবলিকান গভর্নর মাইক ডিওয়াইনের শাসনামলে অঙ্গরাজ্যের শীর্ষ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে ‘কোভিড-১৯’ মহামারি মোকাবিলায় তার ভূমিকা নিয়ে নির্বাচনী প্রচারে বারবার আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছে তাকে।
প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই নির্বাচনে, প্রচার ব্যয়, ১০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যায়, যা অঙ্গরাজ্যটির নির্বাচনী ইতিহাসে নজিরবিহীন। প্রচারের শেষ কয়েক সপ্তাহে, অ্যাকটনের বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকা মাকে নিয়ে তৈরি একটি বিতর্কিত টেলিভিশন বিজ্ঞাপনও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
বিজ্ঞাপনটি রামাস্বামীর নির্বাচনী প্রচার শিবির থেকে প্রচার করা হয়। এর দায় স্বীকার করেও বিজ্ঞাপনটি প্রচার থেকে সরাতে অস্বীকৃতি জানান তিনি।
বিজ্ঞাপনটিতে অ্যাকটনের মা, তার মেয়ের শৈশব নিয়ে মিথ্যা বলার অভিযোগ করেন এবং তার মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তবে বিজ্ঞাপনটিতে উল্লেখ করা হয়নি, অ্যাকটনের ১২ বছর বয়সে তার সৎবাবার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর তাকে মায়ের হেফাজত থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
বিজ্ঞাপনটি প্রকাশের পর রামাস্বামীর বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। তবে বিতর্কের মধ্যেও প্রচার চালিয়ে যান তিনি।
শেষ পর্যন্ত, নির্বাচনে জয় পান অ্যামি অ্যাকটন। তার এই জয়ের মধ্য দিয়ে ওহাইওতে দীর্ঘদিন পর গভর্নর পদে ফিরছে ডেমোক্র্যাটরা। পাশাপাশি, অঙ্গরাজ্যটির ইতিহাসে প্রথম নারী হিসেবে গভর্নরের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন তিনি।