তেলুগু চলচ্চিত্রে বক্স অফিসের বড় সাফল্যের তালিকায় সাধারণত নায়ককেন্দ্রিক সিনেমাগুলোরই আধিপত্য দেখা যায়। নারীপ্রধান গল্পের ছবি প্রশংসা পেলেও আয়ের দিক থেকে খুব কমই বড় রেকর্ড গড়তে পারে। তবে সেই চিত্রে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু।
তার অভিনীত নতুন ছবি ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ মুক্তির পর থেকেই বক্স অফিসে দারুণ সাড়া ফেলেছে। মুক্তির মাত্র ১০ দিনের মাথায় ছবিটির আয় ৭৮ কোটি রুপির গণ্ডি পেরিয়েছে। এই সাফল্যের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে অক্ষুণ্ন থাকা আনুশকা শেঠির একটি গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে ছবিটি।
২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া আনুশকা অভিনীত ‘অরুন্ধতী’তেলুগু ইন্ডাস্ট্রির নারীপ্রধান সিনেমাগুলোর মধ্যে অন্যতম সফল ছবি হিসেবে পরিচিত। সে সময় প্রায় ৭০ কোটি রুপি আয় করে এটি বহু বছর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়ের নারীপ্রধান তেলুগু ছবির অবস্থান ধরে রেখেছিল। এবার সেই স্থান দখল করল সামান্থার ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’।
এখন ছবিটির সামনে রয়েছে আরও বড় একটি লক্ষ্য। নারীপ্রধান তেলুগু সিনেমার সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ডটি এখনো কীর্তি সুরেশ অভিনীত ‘মহনতি’র দখলে। ২০১৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সেই ছবির মোট আয় ছিল ৮৩ কোটি রুপি। বক্স অফিস বিশ্লেষকদের ধারণা, বর্তমান আয়ের ধারা অব্যাহত থাকলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ সেই মাইলফলকও অতিক্রম করতে পারে।
চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের মতে, নারীকে কেন্দ্র করে নির্মিত একটি সিনেমার এমন বাণিজ্যিক সাফল্য তেলুগু ইন্ডাস্ট্রির জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করছে। এতে ভবিষ্যতে আরও বেশি নারীপ্রধান গল্প নিয়ে বড় বাজেটের সিনেমা নির্মাণে আগ্রহ বাড়তে পারে।
বি. ভি. নন্দিনী রেড্ডি পরিচালিত ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ মুক্তি পায় ১৯ জুন। ছবিতে সামান্থা রুথ প্রভুর পাশাপাশি অভিনয় করেছেন গুলশান দেবাইয়া, দিগন্ত মানচালে, চৈতন্য কৃষ্ণ, শ্রীমুখীসহ আরও বেশ কয়েকজন শিল্পী।
এসএন/কে