দেশে প্রায় চার কোটি শিক্ষিত বেকার রয়েছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, মৃতপ্রায় অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে কর্মসংস্থান বাড়াতে কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
রোববার (২৬ জুলাই) রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, মৃতপ্রায় অর্থনীতিকে টেনে তুলতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে কাজ করছে সরকার।
মন্ত্রী বলেন, দেশে প্রায় চার কোটি শিক্ষিত বেকার। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, মাত্র একটি পদের বিপরীতে পাঁচ থেকে ছয় লাখ চাকরির আবেদন জমা পড়ছে। সরকার বেকারত্ব দূরকরণে কৃষি ভিত্তিক অর্থনীতিকে জোর দিচ্ছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, চারদিকে অনিয়ম-অস্থিতিশীলতায় দেশের সব প্রতিষ্ঠান ভেঙে দেওয়া হয়েছে, সেগুলো পুনঃনির্মাণ করতে হবে। এখন দেশ গঠনের সুযোগ এসেছে; এমন সুযোগ সবসময় আসে না।
তিনি বলেন, আমাদের এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় সমস্যা দাঁড়িয়েছে এনার্জি সেক্টরে, যা গ্যাস-জ্বালানি তেলের অপর্যাপ্ততার কারণেই ঘটছে। তবে এসব জায়গায় কাজ করা এবং গবেষণায় নিয়োজিতরাও সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠছে কাজ করে যাচ্ছেন।
এসময় রাজনীতি যাতে রাষ্ট্র ও দেশের কল্যাণে হয় এমন বার্তা দিয়ে নেতিবাচক রাজনীতি না করার আহ্বান জানান স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।
এ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন। তিনি বলেন, কৃষি খাতে প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কৃষকদের স্বাবলম্বী করতে মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করেছে সরকার।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এরই মধ্যে দেশব্যাপী ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ শুরু হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মাহ্দী আমিন বলেন, কৃষকদের আর্থিক সংকট কাটাতে দেয়া হচ্ছে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত ঋণ। এছাড়া আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি সরাসরি প্রকৃত কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেয়ার কাজ চলমান রয়েছে।
এসএন/পিডিকে