মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে অন্য দেশের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন বলছে ইরান

ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা যেকোনো দেশকে শাস্তি দেওয়ার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর, যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন নিষেধাজ্ঞাকে ‘সার্বভৌমত্বের চরম ক্ষয়’ বলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইরান।

শনিবার (২২ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই ঘোষণা জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বিরুদ্ধে সীমানা বহির্ভূত সার্বভৌমত্ব জাহির করার প্রবৃত্তি।

ইসমাইল বাঘাই বলেন, কোনো রাষ্ট্র বিদেশি ব্যাংক, প্রতিষ্ঠান বা বিমানবন্দরগুলোকে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য ত্যাগ করতে বাধ্য করতে পারে না। তিনি আরও বলেন, ‘এর চূড়ান্ত পরিণতি হবে জাতিসংঘভিত্তিক আন্তঃরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার মৌলিক ভিত্তি হিসেবে থাকা সার্বভৌমত্বের সম্পূর্ণ বিনাশ এবং এক অন্ধকারময় পরিস্থিতির মাধ্যমে ঔপনিবেশিকতায় পূর্ণাঙ্গভাবে ফিরে যাওয়ার শামিল।’ খবর আলজাজিরার।

গত বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে এযাবৎকালের সবচেয়ে মারাত্মক ‘অর্থনৈতিক অভিযানের’ ঘোষণা দেন এবং বলেন যে, যেসব দেশের প্রতিষ্ঠান তেহরানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখবে তাদের ‘ভয়ংকর অর্থনৈতিক পরিণতির’ মুখোমুখি হতে হবে।

গত বৃহস্পতিবার মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট প্রেসিডেন্টের বক্তব্যকে আরও জোরালো করে বলেন, নতুন এই নিষেধাজ্ঞা ব্যবস্থা ইরানকে ধসিয়ে দেবে এবং অন্যান্য দেশগুলো ‘হয় আমাদের পক্ষে, না হয় আমাদের বিপক্ষে’ থাকবে।

তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলো দ্রুত মনে করিয়ে দেয় যে, তেহরান বহু দশক ধরে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হয়ে আসছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, নতুন এই পদক্ষেপগুলো ব্যর্থ হতে বাধ্য।

২০১২ সালের আগের নিষেধাজ্ঞার কথা উল্লেখ করে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার একটি টুইটের স্ক্রিনশট শেয়ার করে আরাঘচি এক্স-এ লেখেন, ‘আমরা এই সিনেমা আগেও দেখেছি। একই বাজে কথা, শুধু নতুন নিপীড়ক।’

তেহরানের সঙ্গে আলোচনা থমকে যাওয়ার পরই দুই দেশের মধ্যে এই সাম্প্রতিক বাগযুদ্ধ শুরু হয়েছে। মার্কিন নৌবাহিনী ইরানের বন্দরগুলোর বিরুদ্ধে অবরোধ বজায় রেখেছে, অন্যদিকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন কার্যক্রম প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।

গতকাল শুক্রবার সাংবাদিকদের ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, তার সরকার এই সংঘাতের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘তারা চুক্তি করতে পছন্দ করবে, কিন্তু আমার মতে তারা সঠিক চুক্তি করতে এখনো প্রস্তুত নয়।’

যুক্তরাষ্ট্র বন্দরগুলোতে ইরানি জাহাজ অবরোধ করে রাখায় হাজার হাজার নাবিককে নিয়ে শত শত জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে আটকা পড়ে আছে।

জাহাজ চলাচলের ট্র্যাকিং সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার মাত্র চারটি পণ্যবাহী জাহাজ এই প্রণালি দিয়ে চলাচল করেছে, যার মধ্যে কোনো বড় অপরিশোধিত তেলবাহী বা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ট্যাঙ্কার ছিল না।

তবে বাগদাদের বারবার অনুরোধের পর কয়েকটি ইরাকি তেল ট্যাঙ্কারকে প্রণালি অতিক্রম করার অনুমতি দিয়েছে ইরান, আজ শনিবার দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা এ তথ্য জানিয়েছে।

ইরনা জানায়, ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের ইরাক সফরের সময় বাগদাদের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল ইরাকি ট্যাঙ্কারগুলোর জন্য এই বিশেষ অনুমতি লাভ করা।

ইরানের রাজধানী তেহরানের বালিয়াসর চত্বরে দেশটির পতাকা হাতে এক ব্যক্তি। ছবি : এএফপি

ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা যেকোনো দেশকে শাস্তি দেওয়ার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর, যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন নিষেধাজ্ঞাকে ‘সার্বভৌমত্বের চরম ক্ষয়’ বলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইরান।

শনিবার (২২ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই ঘোষণা জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বিরুদ্ধে সীমানা বহির্ভূত সার্বভৌমত্ব জাহির করার প্রবৃত্তি।

ইসমাইল বাঘাই বলেন, কোনো রাষ্ট্র বিদেশি ব্যাংক, প্রতিষ্ঠান বা বিমানবন্দরগুলোকে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য ত্যাগ করতে বাধ্য করতে পারে না। তিনি আরও বলেন, ‘এর চূড়ান্ত পরিণতি হবে জাতিসংঘভিত্তিক আন্তঃরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার মৌলিক ভিত্তি হিসেবে থাকা সার্বভৌমত্বের সম্পূর্ণ বিনাশ এবং এক অন্ধকারময় পরিস্থিতির মাধ্যমে ঔপনিবেশিকতায় পূর্ণাঙ্গভাবে ফিরে যাওয়ার শামিল।’ খবর আলজাজিরার।

গত বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে এযাবৎকালের সবচেয়ে মারাত্মক ‘অর্থনৈতিক অভিযানের’ ঘোষণা দেন এবং বলেন যে, যেসব দেশের প্রতিষ্ঠান তেহরানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখবে তাদের ‘ভয়ংকর অর্থনৈতিক পরিণতির’ মুখোমুখি হতে হবে।

গত বৃহস্পতিবার মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট প্রেসিডেন্টের বক্তব্যকে আরও জোরালো করে বলেন, নতুন এই নিষেধাজ্ঞা ব্যবস্থা ইরানকে ধসিয়ে দেবে এবং অন্যান্য দেশগুলো ‘হয় আমাদের পক্ষে, না হয় আমাদের বিপক্ষে’ থাকবে।

তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলো দ্রুত মনে করিয়ে দেয় যে, তেহরান বহু দশক ধরে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হয়ে আসছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, নতুন এই পদক্ষেপগুলো ব্যর্থ হতে বাধ্য।

২০১২ সালের আগের নিষেধাজ্ঞার কথা উল্লেখ করে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার একটি টুইটের স্ক্রিনশট শেয়ার করে আরাঘচি এক্স-এ লেখেন, ‘আমরা এই সিনেমা আগেও দেখেছি। একই বাজে কথা, শুধু নতুন নিপীড়ক।’

তেহরানের সঙ্গে আলোচনা থমকে যাওয়ার পরই দুই দেশের মধ্যে এই সাম্প্রতিক বাগযুদ্ধ শুরু হয়েছে। মার্কিন নৌবাহিনী ইরানের বন্দরগুলোর বিরুদ্ধে অবরোধ বজায় রেখেছে, অন্যদিকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন কার্যক্রম প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।

গতকাল শুক্রবার সাংবাদিকদের ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, তার সরকার এই সংঘাতের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘তারা চুক্তি করতে পছন্দ করবে, কিন্তু আমার মতে তারা সঠিক চুক্তি করতে এখনো প্রস্তুত নয়।’

যুক্তরাষ্ট্র বন্দরগুলোতে ইরানি জাহাজ অবরোধ করে রাখায় হাজার হাজার নাবিককে নিয়ে শত শত জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে আটকা পড়ে আছে।

জাহাজ চলাচলের ট্র্যাকিং সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার মাত্র চারটি পণ্যবাহী জাহাজ এই প্রণালি দিয়ে চলাচল করেছে, যার মধ্যে কোনো বড় অপরিশোধিত তেলবাহী বা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ট্যাঙ্কার ছিল না।

তবে বাগদাদের বারবার অনুরোধের পর কয়েকটি ইরাকি তেল ট্যাঙ্কারকে প্রণালি অতিক্রম করার অনুমতি দিয়েছে ইরান, আজ শনিবার দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা এ তথ্য জানিয়েছে।

ইরনা জানায়, ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের ইরাক সফরের সময় বাগদাদের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল ইরাকি ট্যাঙ্কারগুলোর জন্য এই বিশেষ অনুমতি লাভ করা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *