অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ডারউইনে দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে নতুন আশার আলো জালিয়েছিল বাংলাদেশ। বিশ্বচ্যাম্পিনদের বিপক্ষে ডমিনেট করে পেয়েছিল ঐতিহাসিক জয়। কিন্তু দ্বিতীয় টেস্টে মাঠে নেমে কল্পনাতীত বিপর্যয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। কয়েকটি লজ্জার রেকর্ডের শঙ্কা তৈরি হলেও সেগুলো আর হয়নি। তবে বাংলাদেশও বেশি দূর যেতে পারেনি। থেমেছে ৬৪ রানেই।
বোলিংয়েও সুবিধা করতে পারছিল না বাংলাদেশ। তখনই বলহাতে আলো ছড়ালেন শরিফুল ইসলাম। নিজের পেস, সুইং আর বাউন্স দিয়ে পরাস্ত করেছেন অসি ব্যাটারদের। ভেঙে দিয়েছেন স্বাগতিকদের ব্যাটিংয়ের মেরদণ্ড। ক্যারিয়ারে প্রথমবার তুলে নিয়েছেন ফাইফার।
শরিফুলের বলে বাংলাদেশ লড়াইয়ে ফিরেছে ঠিকই তবে এখনো অনেক কাজ বাকি। ইতোমধ্যে বাংলাদেশকে ১০১ রানের লিড দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। ৮ হারিয়ে ১৬৫ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে স্বাগতিকরা।
দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে আসেন শরিফুল। সেখানেই কথা বলেছেন নিজের বোলিং নিয়ে। শরিফুল বলেন, ‘অনুভূতি অবশ্যই ভালো। গতবার যেটা পেয়েছিলাম (মিরপুরে ওয়ানডেতে ৬ উইকেট) ওটাও ভালো লেগেছিল। সত্যি আরও ভালো লাগত যদি সেই ম্যাচটা জিততাম। আমি এখন চিন্তা করছি না যে, ৫ উইকেট পেয়েছি বলে খুব খুশি। যদি ম্যাচ জিতি তবে অনেক খুশি হব।’
ম্যাকাইয়েই সকালে শরিফুলের আগে আরও একজন এমন বোলিং তাণ্ডব দেখিয়েছেন। তিনি অস্ট্রেলিয়ার প্যাট কামিন্স। বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইন বিধ্বস্ত করেছেন তিনি। টপঅর্ডার-মিডল অর্ডারের পাঁচ ব্যাটাসহ মোট ছয় উইকেট শিকার করেছেন কামিন্সও। দুজনই বাঁহাতি পেসার।
ম্যাকাইয়ে বাতাসের কারণে বাঁ-হাতি পেসাররা একটু বাড়তি সুবিধা পেয়েছে কি না এমন প্রশ্নে শরিফুল বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা ওই পাশ থেকে বোলিং করছিলাম। সেখানে বাতাস আমাদের বিপক্ষে ছিল, যার কারণে বল একটু বেশি সুইং করছিল।’