প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে বন্ধ ছিল খেলা। লম্বা বিরতির পর শুরু হয়েছে ঢাকা টেস্টের চতুর্থ দিনের খেলা। প্রথম সেশন শেষে নামা বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ থাকার পর শুরু হয়েছে দ্বিতীয় সেশনের খেলা। ব্যাট করছে বাংলাদেশ।
এর আগে বেলা ১২টা ৪০ এর দিকে শুরু হয়ে বৃষ্টি। বজ্রসহ বৃষ্টি হয়েছে। মাঝে ভারী বর্ষণের পর থেমে থেমে বৃষ্টি হয়েছে। তবে, বৃষ্টি একেবারে থামেনি। মিরপুরের আউটফিল্ডে পানি জমে। অনিশ্চিত হয়ে পড়ে ঢাকা টেস্টের চতুর্থ দিনের বাকি দুই সেশনের ভাগ্য। সেই অনিশ্চয়তার মেঘ কেটেছে।
টেস্টের চতুর্থ দিনের প্রথম সেশন শেষ হতেই কালো মেঘে ঢেকে যায় আকাশ। বৃষ্টির কারণে মধ্যাহ্ন বিরতি শেষে নির্ধারিত সময়ে দ্বিতীয় সেশন শুরু হয়নি।
ঢাকা টেস্টের চতুর্থ দিনে দ্বিতীয় ইনিংসের প্রথম সেশন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩১ ওভারে ২ উইকেটে ৯৩ রান। লিড ১২০ রানের। শান্ত অপরাজিত ৩৪ রানে। মুমিনুল টিকে আছেন ৩৭ রান নিয়ে।
দিনের শুরুটা হয়েছিল শঙ্কা জাগানিয়া। দ্রুত ফিরে যান দুই ওপেনার। ২৩ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে স্বাগতিকরা। তবে, বাকিটা সময় আর কোনো বিপদ আসতে দেননি অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হক। দেখেশুনে খেলে পাকিস্তানি বোলারদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করেছেন দুজন। ৭০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি নিয়ে মধ্যাহ্ন বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।
প্রথম ইনিংসে ২৭ রানের লিড নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। তৃতীয় দিন শেষে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৭ রান তোলেন দুই ওপেনার। তবে, আজ সোমবার (১১ মে) ঢাকা টেস্টের চতুর্থ দিনের শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে স্বাগতিকরা।
আগের দিন বৃষ্টি ও ব্যাড লাইটের কারণে খেলায় ব্যাঘাত ঘটে। আজ তাই ১৫ মিনিট আগে শুরু হয় ম্যাচ। সকালের শুরুতেই হাল ছাড়েন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে ৫ রান করে লেগবিফোর হন মোহাম্মদ আব্বাসের বলে। ১৫ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি অপর ওপেনার সাদমান ইসলামও। ১০ রান করে স্লিপে ক্যাচ তুলে দেন সৌদ শাকিলের হাতে, বল করেন হাসান আলী। ২৩ রানে বাংলাদেশের দ্বিতীয় উইকেটের পতন।