নেপালের ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫৯

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ বন্যায় অন্তত ৩৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) নেপাল পুলিশ তাদের একটি নতুন আপডেট তথ্যে একথা জানিয়েছে। তিব্বতের সাথে হিমালয়ঘেরা এই দেশটির সীমান্তে বিপর্যয় ঘটার একদিন পর এই তথ্য সামনে এলো। খবর এএফপির।

নেপাল পুলিশ এক বিবৃতিতে জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৩৫৯ জন মারা গেছেন। চীনা রাষ্ট্রীয় মাধ্যম এর আগে তিব্বত সীমান্ত হাবে ঘটা একটি কর্দমাক্ত পাহাড় ধসে ব্যাপক হতাহতের খবর দিয়েছিল। ওই ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। এর ফলে মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে অন্তত ৩৬২ জনে।

বর্তমানে নেপাল এবং চীনের তিব্বত অঞ্চল জুড়ে ৭৫০ জনের বেশি বিদেশি পর্যটক ও তীর্থযাত্রীসহ প্রায় দেড় হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। গতকাল বুধবার বিশাল আকারের কাদা ও পাথরের ধস হিমালযয়ের কোলে নদীতে আছড়ে পড়লে এই ভয়াবহ প্লাবনের সৃষ্টি হয়। এতে নদীর গতিপথ অবরুদ্ধ হয়ে নিমেষেই ভাসিয়ে নিয়ে যায় ঘরবাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনা।

বন্যার কারণে রাজধানী কাঠমান্ডুর সঙ্গে তিব্বতের লাসার সংযোগকারী প্রধান সড়কটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। এই পথটি হাইকার, ট্র্যাকার এবং পুণ্যার্থীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে থাকা হাজার হাজার মানুষের কাছে জরুরি ত্রাণ পৌঁছাতে এবং জীবিতদের উদ্ধারে হেলিকপ্টার ব্যবহার করছে নেপালের উদ্ধারকারী দল।

চীনা কর্তৃপক্ষ এবং আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলো পরিস্থিতি সামাল দিতে জরুরি সেবা কার্যক্রম জোরদার করেছে। তবে দুর্যোগের পরিধি বড় হওয়ায় নিখোঁজদের জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্ষীণ হয়ে আসছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *