দরিদ্রদের জন্য বরাদ্দ সরকারি চালে পোকা-পচন, ক্ষুব্ধ ৩৭০ পরিবার

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সাহারবাটি ইউনিয়নে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় দরিদ্রদের মাঝে ১৫ টাকা কেজি দরে পোকাযুক্ত, কালচে ও পচা চাল সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে।

সরেজমিনে সোমবার (২৪ আগস্ট) ৩৭০ জন উপকারভোগীর কয়েকজনের চাল পরীক্ষা করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। ভুক্তভোগীরা বলেন, বাজারে ভালো চাল কেনার সামর্থ্য না থাকায় তারা বাধ্য হয়ে দীর্ঘদিন ধরে এসব পোকা ও নষ্ট চাল পরিষ্কার করে খাচ্ছেন।

বিতরণের দায়িত্বে থাকা ডিলার নাইস বলেন, উপজেলা খাদ্যগুদাম থেকে যে চাল সরবরাহ করা হয়েছে, তিনি সেটিই বিতরণ করছেন। চালের মান নিয়ে তার ব্যক্তিগতভাবে কিছু করার সুযোগ নেই।

চালের মান নিয়ে সাহারবাটি ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান আসমআরা বলেন, চাল অত্যন্ত নিম্নমানের এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। 

নিম্নমানের চাল সরবরাহের অভিযোগ অস্বীকার করে গাংনী উপজেলা এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, সরকারি খাদ্যগুদাম থেকে নিম্নমানের চাল সরবরাহের সুযোগ নেই এবং তার অগোচরে ডিলাররা চাল নিয়ে গেছেন। গোডাউনে ভালো মানের চালই মজুত ও সরবরাহ করা হয়।

মেহেরপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) আসমা উল হোসনা বলেন, খোঁজখবর নিয়ে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ক্ষেমালিকা চাকমা বলেন, সরকারি খাদ্যগুদাম থেকে নিম্নমানের চাল সরবরাহের কোনো সুযোগ নেই। জেলা বা উপজেলা পর্যায়ের খাদ্যগুদামের কোনো কর্মকর্তা এমন অনিয়ম করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *